ক্ষমতা ছাড়ার মাত্র তিনদিন আগে শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বিতর্কিত বাণিজ্য চুক্তি করেছে, তা বাতিলে ঝুঁকি আছে বলে মনে করছে বর্তমান সরকার। এ অবস্থায় চুক্তি পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংশোধনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে চাইছে তারা।
মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তিতে ৬০ দিনের নোটিশের মাধ্যমে তা বাতিলের সুযোগ থাকলেও সরকার আপাতত সেই পথে যাচ্ছে না। বরং আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির বিভিন্ন শর্ত পুনর্বিবেচনা ও সংশোধনের সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও বিশেষজ্ঞ মহলে চুক্তির সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, যা সরকার পর্যবেক্ষণ করছে। ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক শুল্কসংক্রান্ত বিষয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে সরকার চুক্তির প্রভাব, স্বাক্ষরের প্রেক্ষাপট এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থ বিবেচনায় রেখে ধাপে ধাপে মূল্যায়ন করবে।
তিনি আরও জানান, কিছু ক্ষেত্রে চুক্তির নির্দিষ্ট শর্ত পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। সরকার এমন কিছু ধারা শনাক্ত করতে চায়, যেগুলো দেশের স্বার্থের পরিপন্থি বা ভবিষ্যতে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার পরিকল্পনাও রয়েছে।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সব ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তির প্রকৃতি এক নয়। কিছু চুক্তি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক হওয়ায় সেগুলো থেকে বেরিয়ে আসা কখনো কখনো বেশি ক্ষতির কারণ হতে পারে। অন্যদিকে সমঝোতা স্মারক বা অনুরূপ কাঠামোর চুক্তি তুলনামূলক সহজে পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব।
তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, জনগণের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে এমন অতীতের সব চুক্তি বা সমঝোতা মূল্যায়নের আওতায় আনবে সরকার। তবে, রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন বিভাগে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট অফিসার পদে জনবল নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৬ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এক নজরে নিয়োগের বিস্তারিত প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) বিভাগের নাম: অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট অফিসার পদসংখ্যা: ০১ জন শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমান অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম ১ বছর চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয় বয়সসীমা: নির্ধারিত নয় বেতন: ৪৫,০০০ টাকা কর্মস্থল: ঢাকা আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন। আবেদনের শেষ তারিখ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫
দেশের মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় সহায়তা করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ‘স্পন্দনবি’। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে অধ্যয়নরত স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইমদাদ সিতারা খান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এবারও বৃত্তি প্রদান করবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিষয়ে পড়ুয়া প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থী এই বৃত্তির সুযোগ পাবেন। আগ্রহীরা আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে ডাক, কুরিয়ার বা সরাসরি উপস্থিত হয়ে আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন দফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. সাহাব উদ্দিন আহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কারা আবেদন করতে পারবেন? বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের এইচএসসি উত্তীর্ণ এবং বর্তমানে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত নিম্নোক্ত বিষয়ের মেধাবী, আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন— বিএসসি অনার্স বিএসসি অনার্স (কৃষি, পশুপালনসহ সব অনুষদ) এমবিবিএস বিডিএস বিএসসি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং বিএ অনার্স বিএসএস অনার্স বিবিএ আবেদনপত্র সংগ্রহ আবেদনকারীরা নিচের যেকোনো মাধ্যমে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন— 🔗 https://spaandanb.org/projects/imdad-sitara-khan-scholarship/ 🔗 https://www.facebook.com/share/g/1FXJc2NhHe অথবা ই-মেইলে যোগাযোগ করেও ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে— mostafiz14@yahoo.com rajib.bd@spaandanb.org tuhin.bd@spaandanb.org sajedul1233@gmail.com zabbarbd5493@gmail.com আবেদন পাঠানোর ঠিকানা স্পন্দনবি বাংলাদেশ অফিস বাসা-৭/২, শ্যামলছায়া-১, ফ্ল্যাট-বি/২, গার্ডেন স্ট্রিট, রিং রোড, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। যোগাযোগ বৃত্তি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য অফিস সময়ে যোগাযোগ— ☎️ ০২-৪৮১১৪৪৯৯ 📱 ০১৭১৩-০৩৬৩৬০ 📱 ০১৭৭৩-৬১০০০৯ 📱 ০১৯৩৩-৫৬০৬৬৫ 📱 ০১৭৯৬-১০২৭০০
পোশাক প্রস্তুতকারক ও বিপণন প্রতিষ্ঠান আড়ং নতুন কিছু পদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। পদের বিবরণ: পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট বিভাগ: হেলথ সিকিউরিটি স্কিম (HSS), সোশ্যাল কমপ্লায়েন্স অ্যান্ড প্রোডিউসার ডেভেলপমেন্ট (SCPD) পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয় যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অন্য যোগ্যতা: এমএস এক্সেল এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে দক্ষতা ডকুমেন্টেশন ও ফাইল ব্যবস্থাপনায় পারদর্শিতা অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১–২ বছর চাকরির ধরণ ও অন্যান্য তথ্য: চাকরির ধরন: ফুলটাইম কর্মক্ষেত্র: অফিসে প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন বয়সসীমা: উল্লেখ নেই কর্মস্থল: ময়মনসিংহ (ত্রিশাল) বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে অন্যান্য সুবিধা: প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচুইটি, উৎসব বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা এবং প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা আবেদন করার নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে আবেদন করতে পারেন।
দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান যমুনা গ্রুপ নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্লাজা সেলস বিভাগে ‘এক্সিকিউটিভ’ পদে ১০০ জন যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ দেবে। আগ্রহীরা ৮ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। পদসংক্রান্ত তথ্য প্রতিষ্ঠানের নাম: যমুনা গ্রুপ বিভাগ: প্লাজা সেলস পদের নাম: এক্সিকিউটিভ পদসংখ্যা: ১০০টি যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা প্রার্থীকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী হতে হবে। এ পদে অভিজ্ঞতা প্রয়োজন নেই, তাই নবীন প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। অন্যান্য তথ্য চাকরির ধরন: ফুল-টাইম বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে প্রার্থীর ধরন: নারী ও পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন বয়সসীমা: ন্যূনতম ২২ বছর কর্মস্থল: দেশের যেকোনো স্থানে আবেদন সংক্রান্ত তথ্য আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন। আবেদনের শেষ সময়: ৮ নভেম্বর ২০২৫।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে ‘টেকনিক্যাল অফিসার’ পদে নিয়োগ দেশের অন্যতম মানবিক সংগঠন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রকল্প কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘টেকনিক্যাল অফিসার’ পদে একজন যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ দেবে। আগ্রহীরা ২১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। পদসংক্রান্ত তথ্য প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি পদের নাম: টেকনিক্যাল অফিসার পদসংখ্যা: ১ জন যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএসসি বা ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম ২ বছর বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৪০ বছর বেতন ও চাকরির ধরন বেতন: ৫০,০০০ টাকা চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন কর্মস্থল: কুড়িগ্রাম আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ওয়েবসাইটে ক্লিক করুন।
ক্ষমতা ছাড়ার মাত্র তিনদিন আগে শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বিতর্কিত বাণিজ্য চুক্তি করেছে, তা বাতিলে ঝুঁকি আছে বলে মনে করছে বর্তমান সরকার। এ অবস্থায় চুক্তি পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংশোধনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় যেতে চাইছে তারা। মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তিতে ৬০ দিনের নোটিশের মাধ্যমে তা বাতিলের সুযোগ থাকলেও সরকার আপাতত সেই পথে যাচ্ছে না। বরং আলোচনার মাধ্যমে চুক্তির বিভিন্ন শর্ত পুনর্বিবেচনা ও সংশোধনের সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যম ও বিশেষজ্ঞ মহলে চুক্তির সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, যা সরকার পর্যবেক্ষণ করছে। ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক শুল্কসংক্রান্ত বিষয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণে সরকার চুক্তির প্রভাব, স্বাক্ষরের প্রেক্ষাপট এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থ বিবেচনায় রেখে ধাপে ধাপে মূল্যায়ন করবে। তিনি আরও জানান, কিছু ক্ষেত্রে চুক্তির নির্দিষ্ট শর্ত পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। সরকার এমন কিছু ধারা শনাক্ত করতে চায়, যেগুলো দেশের স্বার্থের পরিপন্থি বা ভবিষ্যতে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার পরিকল্পনাও রয়েছে। ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সব ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তির প্রকৃতি এক নয়। কিছু চুক্তি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক হওয়ায় সেগুলো থেকে বেরিয়ে আসা কখনো কখনো বেশি ক্ষতির কারণ হতে পারে। অন্যদিকে সমঝোতা স্মারক বা অনুরূপ কাঠামোর চুক্তি তুলনামূলক সহজে পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব। তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, জনগণের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে এমন অতীতের সব চুক্তি বা সমঝোতা মূল্যায়নের আওতায় আনবে সরকার। তবে, রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রোগীর স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্য নিয়ে নাগরিকদের জন্য সরকারের ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়াপ এক পোস্টে এ কথা জানান তিনি। সময়ের ধ্বনির পাঠকদের জন্য পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো— থ্যালাসেমিয়া একটি জটিল বংশগত রক্তরোগ, যা ব্যক্তি, পরিবার এবং সামগ্রিক জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে, পিতা-মাতা উভয়েই থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহক হলে তাঁদের সন্তানের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। তাই জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সময়োপযোগী পরীক্ষা এবং প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। এবারের থ্যালাসেমিয়া দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘আর আড়াল নয়: রোগ নির্ণয়হীনদের খুঁজে বের করি, অলক্ষ্যে থাকা রোগীদের সহায়তা করি’। বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ দিবসটি থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিরোধ এবং আক্রান্তদের প্রতি সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহক বলে ধারণা করা হয়। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সরকার ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’ এই নীতি অবলম্বন করেছে। থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধে এই নীতি সবচেয়ে বেশি কার্যকর। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার একটি জনমুখী ও আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। রোগীর স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য নিয়ে সরকার নাগরিকদের জন্য 'ই-হেলথ কার্ড' চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালু হয়ে গেলে এই কার্ডের মাধ্যমেই নাগরিকগণ নিজেদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য জানতে সক্ষম হবেন। একইসঙ্গে একজন রোগী গ্রাম কিংবা শহর, যেখানেই চিকিৎসা গ্রহণ করুন না কেন, 'ই-হেলথ কার্ড'-এর মাধ্যমে চিকিৎসক সংশ্লিষ্ট রোগীর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য-তথ্য দ্রুত জানতে পারবেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ বলছেন, দুইজন থ্যালাসেমিয়া রোগীর মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক না হলে থ্যালাসেমিয়া রোগের বিস্তার হয় না। সুতরাং, থ্যালাসেমিয়ার মতো দুরারোগ্য রক্ত রোগ প্রতিরোধে, বিশেষ করে থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহকদের মধ্যে বিবাহের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্র- সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। আমি সরকারের পাশাপাশি সকল পেশাজীবী, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গণমাধ্যম, অভিভাবক এবং সচেতন নাগরিক সমাজকে এ বিষয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানাচ্ছি। আমি বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
আগামী এক বছরের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের সব নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আগেও বলেছি, এখনও বলছি— আমরা চেষ্টা করব আগামী এক বছরের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের সব নির্বাচন সম্পন্ন করার। মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনব্যাপী চলমান জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬ এর পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের আলোচনা পর্বের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসন ও মন্ত্রণালয়ের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জেলা প্রশাসকরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন, আমরা সেই পরামর্শগুলো গ্রহণ করেছি। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী বলেন, আমরা মূল যে কথাটা বলতে চেয়েছি— স্থানীয় সরকার হচ্ছে আমাদের গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় ভিত্তি। এটা হচ্ছে বেসিক তৃণমূলের সবচেয়ে বড় শক্তিশালী ইনস্টিটিউশন। এই ইনস্টিটিউশন সবসময় শক্তিশালী করতে পারলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে। তিনি বলেন, আমরা তাদের আরেকটা কথা বলার চেষ্টা করেছি যে, জেলা প্রশাসকদের নেতৃত্ব দিতে হবে। আমাদের সরকারের বিশেষ করে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যে কর্মসূচিগুলো নিয়েছেন, সেই কর্মসূচিগুলোকে বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে আমাদের যারা দায়িত্বে রয়েছেন, তারা সেই কাজগুলো বাস্তবায়ন করবেন। মির্জা ফখরুল বলেন, সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে— জনগণকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে হবে। কারণ, জনগণই হচ্ছে এই দেশের মালিক। সামগ্রিকভাবে যেটা দেখেছি— গত ১৬ বছরে স্থানীয় সরকারের কমিউনিকেশনের জায়গাটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে যে, ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। আমরা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সেসব দুর্নীতির তদন্ত করব। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্নীতি যাতে না ঘটে, সেটাও আমরা দেখব। তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি— এই ধরনের সম্মেলন প্রত্যেক বছর অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সরকারের জেলা পর্যায়ের যারা কর্মকর্তা, তাদের সঙ্গে আমাদের মন্ত্রণালয়ের মতবিনিময় যেটা হয়, সেটা অত্যন্ত ভালোভাবে কাজে দেয়। ভবিষ্যতে সেটা যেন আরো বাড়ানো যায়, সেটাও আমরা বলছি।