গভীর রাতে ভিডিও কলে কথা, আর কয়েক ঘণ্টা পর ভোরে মিলল ঝুলন্ত মরদেহ—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর (২৬) মৃত্যুকে ঘিরে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য। পরিবারের অভিযোগ, ওই ভিডিও কলের কথোপকথনই তাকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে এক শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে। তদন্তকারীরা বলছেন, শনিবার গভীর রাত থেকে রোববার ভোরের মধ্যবর্তী সময়ের ঘটনাপ্রবাহই এখন গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মিমো বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। অভিযুক্ত শিক্ষক একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে মিমো নিজ কক্ষে যাওয়ার পর রাত প্রায় ১টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন। এটিকেই তার জীবনের শেষ যোগাযোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ভোরে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত নামানো হলেও তখন আর তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রমাণ—কল লগ, মেসেজ ও ভিডিও কলের তথ্য—বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে মিমোর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল এবং ওই রাতের কথোপকথনের পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। তাদের মতে, এই পরিস্থিতিই তাকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এটি এখন মূলত ডিজিটাল প্রমাণনির্ভর তদন্তে পরিণত হয়েছে। ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
অন্যদিকে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ প্রমাণ করতে হলে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মানসিক চাপ, হুমকি বা প্রভাবের সুস্পষ্ট প্রমাণ প্রয়োজন হয়।
এরই মধ্যে আদালত অভিযুক্ত শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে আটক রাখার আবেদনও করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে তাকে রিমান্ডে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।
সব মিলিয়ে, মিমোর মৃত্যুকে ঘিরে এই মামলাটি এখন সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ তদন্তে পরিণত হয়েছে, যেখানে ডিজিটাল তথ্য-প্রমাণই হয়ে উঠছে সবচেয়ে বড় ভরসা।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন বিভাগে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট অফিসার পদে জনবল নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৬ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এক নজরে নিয়োগের বিস্তারিত প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) বিভাগের নাম: অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট অফিসার পদসংখ্যা: ০১ জন শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমান অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম ১ বছর চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয় বয়সসীমা: নির্ধারিত নয় বেতন: ৪৫,০০০ টাকা কর্মস্থল: ঢাকা আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন। আবেদনের শেষ তারিখ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫
দেশের মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় সহায়তা করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ‘স্পন্দনবি’। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে অধ্যয়নরত স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইমদাদ সিতারা খান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এবারও বৃত্তি প্রদান করবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিষয়ে পড়ুয়া প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থী এই বৃত্তির সুযোগ পাবেন। আগ্রহীরা আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে ডাক, কুরিয়ার বা সরাসরি উপস্থিত হয়ে আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন দফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. সাহাব উদ্দিন আহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কারা আবেদন করতে পারবেন? বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের এইচএসসি উত্তীর্ণ এবং বর্তমানে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত নিম্নোক্ত বিষয়ের মেধাবী, আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন— বিএসসি অনার্স বিএসসি অনার্স (কৃষি, পশুপালনসহ সব অনুষদ) এমবিবিএস বিডিএস বিএসসি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং বিএ অনার্স বিএসএস অনার্স বিবিএ আবেদনপত্র সংগ্রহ আবেদনকারীরা নিচের যেকোনো মাধ্যমে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন— 🔗 https://spaandanb.org/projects/imdad-sitara-khan-scholarship/ 🔗 https://www.facebook.com/share/g/1FXJc2NhHe অথবা ই-মেইলে যোগাযোগ করেও ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে— mostafiz14@yahoo.com rajib.bd@spaandanb.org tuhin.bd@spaandanb.org sajedul1233@gmail.com zabbarbd5493@gmail.com আবেদন পাঠানোর ঠিকানা স্পন্দনবি বাংলাদেশ অফিস বাসা-৭/২, শ্যামলছায়া-১, ফ্ল্যাট-বি/২, গার্ডেন স্ট্রিট, রিং রোড, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। যোগাযোগ বৃত্তি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য অফিস সময়ে যোগাযোগ— ☎️ ০২-৪৮১১৪৪৯৯ 📱 ০১৭১৩-০৩৬৩৬০ 📱 ০১৭৭৩-৬১০০০৯ 📱 ০১৯৩৩-৫৬০৬৬৫ 📱 ০১৭৯৬-১০২৭০০
পোশাক প্রস্তুতকারক ও বিপণন প্রতিষ্ঠান আড়ং নতুন কিছু পদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। পদের বিবরণ: পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট বিভাগ: হেলথ সিকিউরিটি স্কিম (HSS), সোশ্যাল কমপ্লায়েন্স অ্যান্ড প্রোডিউসার ডেভেলপমেন্ট (SCPD) পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয় যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অন্য যোগ্যতা: এমএস এক্সেল এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে দক্ষতা ডকুমেন্টেশন ও ফাইল ব্যবস্থাপনায় পারদর্শিতা অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১–২ বছর চাকরির ধরণ ও অন্যান্য তথ্য: চাকরির ধরন: ফুলটাইম কর্মক্ষেত্র: অফিসে প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন বয়সসীমা: উল্লেখ নেই কর্মস্থল: ময়মনসিংহ (ত্রিশাল) বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে অন্যান্য সুবিধা: প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচুইটি, উৎসব বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা এবং প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা আবেদন করার নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে আবেদন করতে পারেন।
দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান যমুনা গ্রুপ নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্লাজা সেলস বিভাগে ‘এক্সিকিউটিভ’ পদে ১০০ জন যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ দেবে। আগ্রহীরা ৮ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। পদসংক্রান্ত তথ্য প্রতিষ্ঠানের নাম: যমুনা গ্রুপ বিভাগ: প্লাজা সেলস পদের নাম: এক্সিকিউটিভ পদসংখ্যা: ১০০টি যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা প্রার্থীকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী হতে হবে। এ পদে অভিজ্ঞতা প্রয়োজন নেই, তাই নবীন প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। অন্যান্য তথ্য চাকরির ধরন: ফুল-টাইম বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে প্রার্থীর ধরন: নারী ও পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন বয়সসীমা: ন্যূনতম ২২ বছর কর্মস্থল: দেশের যেকোনো স্থানে আবেদন সংক্রান্ত তথ্য আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন। আবেদনের শেষ সময়: ৮ নভেম্বর ২০২৫।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে ‘টেকনিক্যাল অফিসার’ পদে নিয়োগ দেশের অন্যতম মানবিক সংগঠন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রকল্প কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘টেকনিক্যাল অফিসার’ পদে একজন যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ দেবে। আগ্রহীরা ২১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। পদসংক্রান্ত তথ্য প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি পদের নাম: টেকনিক্যাল অফিসার পদসংখ্যা: ১ জন যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএসসি বা ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম ২ বছর বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৪০ বছর বেতন ও চাকরির ধরন বেতন: ৫০,০০০ টাকা চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন কর্মস্থল: কুড়িগ্রাম আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ওয়েবসাইটে ক্লিক করুন।
গভীর রাতে ভিডিও কলে কথা, আর কয়েক ঘণ্টা পর ভোরে মিলল ঝুলন্ত মরদেহ—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর (২৬) মৃত্যুকে ঘিরে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য। পরিবারের অভিযোগ, ওই ভিডিও কলের কথোপকথনই তাকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে এক শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে। তদন্তকারীরা বলছেন, শনিবার গভীর রাত থেকে রোববার ভোরের মধ্যবর্তী সময়ের ঘটনাপ্রবাহই এখন গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মিমো বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন। অভিযুক্ত শিক্ষক একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। তদন্ত সূত্রে জানা যায়, ঘটনার রাতে মিমো নিজ কক্ষে যাওয়ার পর রাত প্রায় ১টার দিকে অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন। এটিকেই তার জীবনের শেষ যোগাযোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ভোরে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে তাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত নামানো হলেও তখন আর তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রমাণ—কল লগ, মেসেজ ও ভিডিও কলের তথ্য—বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে মিমোর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল এবং ওই রাতের কথোপকথনের পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। তাদের মতে, এই পরিস্থিতিই তাকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, এটি এখন মূলত ডিজিটাল প্রমাণনির্ভর তদন্তে পরিণত হয়েছে। ফরেনসিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ প্রমাণ করতে হলে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মানসিক চাপ, হুমকি বা প্রভাবের সুস্পষ্ট প্রমাণ প্রয়োজন হয়। এরই মধ্যে আদালত অভিযুক্ত শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে আটক রাখার আবেদনও করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে তাকে রিমান্ডে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। সব মিলিয়ে, মিমোর মৃত্যুকে ঘিরে এই মামলাটি এখন সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ তদন্তে পরিণত হয়েছে, যেখানে ডিজিটাল তথ্য-প্রমাণই হয়ে উঠছে সবচেয়ে বড় ভরসা।
হাইকোর্ট এলাকার জাতীয় ঈদগাহ মাঠের গেটের পাশে ড্রামভর্তি খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় প্রকাশ পেয়েছে নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রংপুরের কাঁচামাল ব্যবসায়ী আশরাফুল হককে হত্যা করে মরদেহ খণ্ডিত করার পর রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে তা সরানোর প্রতিটি ধাপ ছিল অত্যন্ত পরিকল্পিত ও সংগঠিত। ফুটেজে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৪৩ মিনিটে মূল অভিযুক্ত জরেজুল ইসলামের প্রেমিকা শামীমা আক্তার শনির আখড়ার বাসায় একটি সিএনজি ভাড়া করে আনেন। ধারণা করা হচ্ছে, খণ্ডিত মরদেহ সরানোর প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই যানটি ব্যবহার করা হয়। এর মাত্র নয় মিনিট পর, দুপুর ২টা ৫২ মিনিটে শামীমার বাসা থেকে দুটি ড্রামে ভরা আশরাফুলের খণ্ডিত মরদেহ সিএনজিতে তুলে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে হত্যাকারীরা। পুরো ঘটনাজুড়ে তাদের আচরণ ছিল ঠাণ্ডা মাথার ও সুপরিকল্পিত। পুলিশ জানায়, ড্রামবাহী সিএনজি দুপুর ৩টা ১৩ মিনিটে হাইকোর্ট এলাকার মাজার গেট সংলগ্ন স্থানে পৌঁছে একটি বড় গাছের নিচে ড্রাম দুটি রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ড্রাম উদ্ধার করে এবং মরদেহ শনাক্ত করে। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) নিহতের বোন আনজিরা বেগম বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় জরেজুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে র্যাব-৩ ও ডিবির যৌথ অভিযানে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে জরেজুল ইসলাম ও তার সহযোগী শামীমা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সরকারি চাকরিজীবীদের টার্গেট করে বিয়ে। কিছু দিন না যেতেই করেন যৌতুক ও ধর্ষণ মামলা। যার প্রতারণার শিকার খোদ এক বিচারক। ঢাকার নারী শিশু নির্যাতন আদালতে খোঁজ মিলেছে সেই নারীর। আর হাইকোর্টে মামলা করতে এসে ভুক্তভোগী বিচারক জানান, বিয়ের সাতদিনের মাথায় তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলার কথা। যদিও সেই নারী কথা বলতে রাজি হননি। পরপর ৭টি বিয়ে করেছেন এই নারী। যাদের সবাই সরকারি চাকুরীজীবি। যদিও এত বিয়ে করা অপরাধ নয়, তবে মদিনা মুনসুরের বিয়ে সংক্রান্ত মোট ৩টি মামলা ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বিচারাধীন। মদিনা মুনসুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রতিবার বিয়ের পর স্বামীর নামে দেন যৌতুক ও ধর্ষণের মামলা। মদিনা সবশেষ যাকে বিয়ে করেছেন তিনি নিজেই একজন বিচারক। বর্তমানে ওএসডি হয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত আছেন তিনি। ভুক্তভোগী বিচারকের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, তিনি ২০০৬, ২০১০, ২০১৩, ২০১৫, ২০২০, ২০২২ এবং সর্বশেষ ২০২৫ সালে বিয়ে করেছেন, এটুকুই দালিলিক প্রমাণ। এর বাইরে আরও বিয়ে করে থাকতে পারেন। তার একটি নির্দিষ্ট কৌশল আছে। অপেক্ষাকৃত কম বয়সী এবং বিশেষ করে সরকারি চাকরিজীবীদের টার্গেট করেন। পরে ধর্ষণ মামলা দিয়ে চাকরি বাঁচানোর ভয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে ২০-৪০ লাখ টাকা নিয়ে আপস করান। একাধিক বিয়ের অভিযোগ আসা নারী মদিনা মুনসুর বলেন, কে মামলা করেছে? নারী ও শিশু আদালতে আমি মামলা করেছি। আপনি কি শেখ মুহিব্বুল্লাহর কথা বলছেন। ক্রাইমটা যে ধরণের সেটা তো আমি এলিগেশন করেছি। তার জন্য তো আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। বিষয়টা নিয়ে আমি কোনো বক্তব্য দিতে চাচ্ছি না, কারণ এটা বিচারাধীন একটি বিষয়। বিচারকের আইনজীবী জানান, মদিনা বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন এতেই খুশি তারা। ভুক্তভোগী বিচারকের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, যাক উনি অন্তত কিছুটা হলেও ওনার কয়েকজন স্বামীকে চিনতে পেরেছেন। এ বিষয়ে আমরা খুশি। আর বাকি স্বামীদেরও উনি ভবিষ্যতে চিনতে পারবেন, যেহেতু উনি টাকা নিয়েছেন এবং ডকুমেন্টারি অর্থাৎ কোর্টের মামলার মাধ্যমে এগুলোর আপস হয়েছে। সেগুলোর সার্টিফাইড কপি আমাদের কাছে আছে। তিনি আরও বলেন, ওনার বিভিন্ন কাবিননামা আমাদের কাছে আছে। এমনকি ওনার প্রতারণার বিভিন্ন প্রমাণও আমাদের কাছে আছে। এগুলো নিয়ে ওনার প্রতারণার মামলায় সর্বোচ্চ সাত বছর (৪৯৫ ধারা) এবং তিন বছরের (৪১৭ ধারা) এদিকে, কাজ করতে গিয়ে নানা অসংলগ্ন কথাবার্তা পাওয়ায় এই মামলা ছেড়ে দিয়েছেন মদিনা মুনসুরের আইনজীবী। মদিনা মুনসুর এর আইনজীবী আহসান হাবীব বলেন, আপনি বলতে পারেন অর্থ আদায়ের একটি প্রক্রিয়া ব্যবহার করেন উনি পরিচালনা করছেন। এই প্যাটার্নটা যখন আমার চোখের সামনে আছে উনি বেশকিছু কর্থাবার্তা ও প্রস্তাব দিয়েছিলেন সেগুলো আসলে আমার ব্যক্তিগত, নীতিগত ও আমি যে আইন দ্বারা পরিচালিত তার সঙ্গে যায় না। সেহেতু আমি মামলা থেকে সরে দাঁড়িয়েছি এবং ১২৬ দ্বারা বিজ্ঞ আদালতকে অবহিত করেছি।