হজযাত্রীদের মধ্যে যারা নিয়মিত বিশেষ ধরনের ওষুধ (নারকোটিক বা সাইকোট্রপিক উপাদানযুক্ত) সেবন করেন, তাদের জন্য এবার নতুন এক নিয়ম জারি করেছে সৌদি আরব সরকারের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি (এসএফডিএ)।
নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো হজযাত্রী চাইলে তার সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের প্রয়োজনীয় ওষুধ বহন করতে পারবেন।
এসএফডিএ জানিয়েছে, বিশেষ উপাদানে তৈরি এসব ওষুধ সঙ্গে রাখার জন্য হজযাত্রীদের অবশ্যই আগাম ক্লিয়ারেন্স পারমিট বা ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে হবে। আবেদনের জন্য হজযাত্রীর পাসপোর্টের কপি, গত ছয় মাসের মধ্যে ইস্যু করা বৈধ মেডিকেল প্রেসক্রিপশন বা রিপোর্ট এবং ওষুধের মোড়কসহ পরিষ্কার ছবি জমা দিতে হবে।
কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, হজযাত্রীরা তাদের মোট অবস্থানের সময়কাল অথবা সর্বোচ্চ ৩০ দিন এই দুইয়ের মধ্যে যেটি কম হবে, সেই পরিমাণ ওষুধ সঙ্গে রাখতে পারবেন। অর্থাৎ, কারও অবস্থানের মেয়াদ যদি ১৫ দিন হয়, তবে তিনি শুধু ১৫ দিনের ওষুধ নিতে পারবেন।
আগ্রহী হজযাত্রীদের সৌদি কর্তৃপক্ষের ইলেকট্রনিক কন্ট্রোলড ড্রাগস সিস্টেমে (সিডিএস) ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট খুলে প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ আবেদন করতে হবে। আবেদনের আগে একটি ইলেকট্রনিক ডিক্লারেশন বা ঘোষণাপত্র পূরণ করাও বাধ্যতামূলক।
সৌদি আরবের স্বাস্থ্য রক্ষা এবং পবিত্র স্থানগুলোতে বিশেষ ওষুধের অপব্যবহার রোধে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মূলত, হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি আরও স্বচ্ছ ও সহজতর করতেই এই নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসএফডিএ। ২৫-২৬ অর্থবছরে ভোজ্যতেল ক্রয়ের মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ কোটি লিটার। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১২ কোটি ১৬ লাখ ৭৯ হাজার ৩৪ লিটার তেল ক্রয় সম্পন্ন হয়েছে।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন বিভাগে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট অফিসার পদে জনবল নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৬ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এক নজরে নিয়োগের বিস্তারিত প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) বিভাগের নাম: অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট অফিসার পদসংখ্যা: ০১ জন শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমান অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম ১ বছর চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয় বয়সসীমা: নির্ধারিত নয় বেতন: ৪৫,০০০ টাকা কর্মস্থল: ঢাকা আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন। আবেদনের শেষ তারিখ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫
দেশের মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় সহায়তা করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ‘স্পন্দনবি’। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে অধ্যয়নরত স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইমদাদ সিতারা খান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এবারও বৃত্তি প্রদান করবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এই সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিষয়ে পড়ুয়া প্রায় ৮০০ শিক্ষার্থী এই বৃত্তির সুযোগ পাবেন। আগ্রহীরা আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে ডাক, কুরিয়ার বা সরাসরি উপস্থিত হয়ে আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন দফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. সাহাব উদ্দিন আহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কারা আবেদন করতে পারবেন? বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের এইচএসসি উত্তীর্ণ এবং বর্তমানে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত নিম্নোক্ত বিষয়ের মেধাবী, আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন— বিএসসি অনার্স বিএসসি অনার্স (কৃষি, পশুপালনসহ সব অনুষদ) এমবিবিএস বিডিএস বিএসসি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং বিএ অনার্স বিএসএস অনার্স বিবিএ আবেদনপত্র সংগ্রহ আবেদনকারীরা নিচের যেকোনো মাধ্যমে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন— 🔗 https://spaandanb.org/projects/imdad-sitara-khan-scholarship/ 🔗 https://www.facebook.com/share/g/1FXJc2NhHe অথবা ই-মেইলে যোগাযোগ করেও ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে— mostafiz14@yahoo.com rajib.bd@spaandanb.org tuhin.bd@spaandanb.org sajedul1233@gmail.com zabbarbd5493@gmail.com আবেদন পাঠানোর ঠিকানা স্পন্দনবি বাংলাদেশ অফিস বাসা-৭/২, শ্যামলছায়া-১, ফ্ল্যাট-বি/২, গার্ডেন স্ট্রিট, রিং রোড, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, ঢাকা। যোগাযোগ বৃত্তি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য অফিস সময়ে যোগাযোগ— ☎️ ০২-৪৮১১৪৪৯৯ 📱 ০১৭১৩-০৩৬৩৬০ 📱 ০১৭৭৩-৬১০০০৯ 📱 ০১৯৩৩-৫৬০৬৬৫ 📱 ০১৭৯৬-১০২৭০০
পোশাক প্রস্তুতকারক ও বিপণন প্রতিষ্ঠান আড়ং নতুন কিছু পদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। পদের বিবরণ: পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট বিভাগ: হেলথ সিকিউরিটি স্কিম (HSS), সোশ্যাল কমপ্লায়েন্স অ্যান্ড প্রোডিউসার ডেভেলপমেন্ট (SCPD) পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয় যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অন্য যোগ্যতা: এমএস এক্সেল এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে দক্ষতা ডকুমেন্টেশন ও ফাইল ব্যবস্থাপনায় পারদর্শিতা অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ১–২ বছর চাকরির ধরণ ও অন্যান্য তথ্য: চাকরির ধরন: ফুলটাইম কর্মক্ষেত্র: অফিসে প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন বয়সসীমা: উল্লেখ নেই কর্মস্থল: ময়মনসিংহ (ত্রিশাল) বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে অন্যান্য সুবিধা: প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচুইটি, উৎসব বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা এবং প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা আবেদন করার নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে আবেদন করতে পারেন।
দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান যমুনা গ্রুপ নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্লাজা সেলস বিভাগে ‘এক্সিকিউটিভ’ পদে ১০০ জন যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ দেবে। আগ্রহীরা ৮ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। পদসংক্রান্ত তথ্য প্রতিষ্ঠানের নাম: যমুনা গ্রুপ বিভাগ: প্লাজা সেলস পদের নাম: এক্সিকিউটিভ পদসংখ্যা: ১০০টি যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা প্রার্থীকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রিধারী হতে হবে। এ পদে অভিজ্ঞতা প্রয়োজন নেই, তাই নবীন প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। অন্যান্য তথ্য চাকরির ধরন: ফুল-টাইম বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে প্রার্থীর ধরন: নারী ও পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন বয়সসীমা: ন্যূনতম ২২ বছর কর্মস্থল: দেশের যেকোনো স্থানে আবেদন সংক্রান্ত তথ্য আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন। আবেদনের শেষ সময়: ৮ নভেম্বর ২০২৫।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে ‘টেকনিক্যাল অফিসার’ পদে নিয়োগ দেশের অন্যতম মানবিক সংগঠন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের প্রকল্প কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘টেকনিক্যাল অফিসার’ পদে একজন যোগ্য প্রার্থী নিয়োগ দেবে। আগ্রহীরা ২১ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। পদসংক্রান্ত তথ্য প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি পদের নাম: টেকনিক্যাল অফিসার পদসংখ্যা: ১ জন যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএসসি বা ডিপ্লোমা ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম ২ বছর বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৪০ বছর বেতন ও চাকরির ধরন বেতন: ৫০,০০০ টাকা চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন কর্মস্থল: কুড়িগ্রাম আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ওয়েবসাইটে ক্লিক করুন।
হজযাত্রীদের মধ্যে যারা নিয়মিত বিশেষ ধরনের ওষুধ (নারকোটিক বা সাইকোট্রপিক উপাদানযুক্ত) সেবন করেন, তাদের জন্য এবার নতুন এক নিয়ম জারি করেছে সৌদি আরব সরকারের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি (এসএফডিএ)। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো হজযাত্রী চাইলে তার সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের প্রয়োজনীয় ওষুধ বহন করতে পারবেন। এসএফডিএ জানিয়েছে, বিশেষ উপাদানে তৈরি এসব ওষুধ সঙ্গে রাখার জন্য হজযাত্রীদের অবশ্যই আগাম ক্লিয়ারেন্স পারমিট বা ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে হবে। আবেদনের জন্য হজযাত্রীর পাসপোর্টের কপি, গত ছয় মাসের মধ্যে ইস্যু করা বৈধ মেডিকেল প্রেসক্রিপশন বা রিপোর্ট এবং ওষুধের মোড়কসহ পরিষ্কার ছবি জমা দিতে হবে। কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, হজযাত্রীরা তাদের মোট অবস্থানের সময়কাল অথবা সর্বোচ্চ ৩০ দিন এই দুইয়ের মধ্যে যেটি কম হবে, সেই পরিমাণ ওষুধ সঙ্গে রাখতে পারবেন। অর্থাৎ, কারও অবস্থানের মেয়াদ যদি ১৫ দিন হয়, তবে তিনি শুধু ১৫ দিনের ওষুধ নিতে পারবেন। আগ্রহী হজযাত্রীদের সৌদি কর্তৃপক্ষের ইলেকট্রনিক কন্ট্রোলড ড্রাগস সিস্টেমে (সিডিএস) ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট খুলে প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ আবেদন করতে হবে। আবেদনের আগে একটি ইলেকট্রনিক ডিক্লারেশন বা ঘোষণাপত্র পূরণ করাও বাধ্যতামূলক। সৌদি আরবের স্বাস্থ্য রক্ষা এবং পবিত্র স্থানগুলোতে বিশেষ ওষুধের অপব্যবহার রোধে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মূলত, হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি আরও স্বচ্ছ ও সহজতর করতেই এই নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসএফডিএ। ২৫-২৬ অর্থবছরে ভোজ্যতেল ক্রয়ের মোট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ কোটি লিটার। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১২ কোটি ১৬ লাখ ৭৯ হাজার ৩৪ লিটার তেল ক্রয় সম্পন্ন হয়েছে।
বাংলাদেশের আকাশে আজ কোথাও ১৪৪৭ হিজরি সনের জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে পবিত্র শাওয়াল মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং রোববার (১৯ এপ্রিল) শাওয়াল মাসের সমাপ্তি ঘটবে। সে হিসেবে আগামী ২০ এপ্রিল সোমবার থেকে জিলকদ মাস গণনা শুরু হবে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ। সভায় ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র জিলকদ মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে দেশের সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সব তথ্য বিশ্লেষণ করে চাঁদ দেখা না যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি এই ঘোষণা দেয়। সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খান, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেক, বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসক মো. শাহীন হোসেন, প্রধান তথ্য অফিসার ইয়াকুব আলী, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহাম্মদ ওবায়দুল হক, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম, স্পারসোর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. খোরশেদ আলম খান, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ওয়ারেছ আনসারী, চরমোনাই আহছানাবাদ রশিদিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী ও জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়ার উপাধ্যক্ষ আবদুল গাফফারসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ঘুম ও স্বপ্ন: ইসলামের দৃষ্টিতে রহস্যময় এক জগৎ যখন মানুষ ঘুমিয়ে পড়ে, তখন তার আত্মা একপ্রকার দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে প্রবেশ করে এক অদৃশ্য জগতে—যেখানে দেখা, অনুভব ও ভুলে যাওয়ার এক অদ্ভুত মিশেল ঘটে। ইসলামে ঘুমকে শুধু দেহের বিশ্রাম নয়, বরং আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন— “আর আমি তোমাদের নিদ্রাকে করেছি ক্লান্তি দূরকারী, রাত্রিকে করেছি আবরণ।” (সুরা আন-নাবা: ৯-১০) স্বপ্নের ধরন ইসলামের দৃষ্টিতে ইসলাম স্বপ্নকে দুই ভাগে ভাগ করেছে— আর-রু’ইয়া (সত্য ও কল্যাণকর স্বপ্ন): এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে, সুসংবাদ বা সতর্কবার্তা হিসেবে। আল-হুলম (দুঃস্বপ্ন): এটি শয়তানের পক্ষ থেকে আসে, মানুষকে ভয় দেখানো বা বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে। স্বপ্নে সাপ দেখা সম্পর্কে হাদিসের বর্ণনা অনেকেই স্বপ্নে সাপ বা ভয়ঙ্কর প্রাণী দেখেন এবং ভীত হয়ে পড়েন। ইসলাম এ বিষয়ে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা দিয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— “ভালো স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে, আর খারাপ স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ থেকে।” (তিরমিজি: ৩৪৫৩) তিনি আরও বলেছেন, যদি কেউ দুঃস্বপ্ন দেখে, তাহলে— আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করবে, বাম দিকে তিনবার হালকা থুথু ফেলবে, এবং স্বপ্নটি কারও কাছে বলবে না। তাহলে এর কোনো ক্ষতি হবে না। (বুখারি: ৬৫৬৮) ইসলামি পণ্ডিতদের ব্যাখ্যা প্রখ্যাত ইসলামি বক্তা শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন— “স্বপ্নে সাপ বা হিংস্র জন্তু দেখা অনেক সময় শত্রুতার ইঙ্গিত দেয়—অর্থাৎ কারও আপনার বিরুদ্ধে বিরূপ মনোভাব থাকতে পারে। আবার অনেক সময় এটি শয়তানের প্ররোচনাও হতে পারে, যা মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য সৃষ্টি হয়।” তিনি আরও বলেন, “কোনো কোনো ক্ষেত্রে এসব স্বপ্ন কালো জাদু বা দুষ্ট জিনের প্রভাবে হতে পারে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এগুলো অর্থহীন এবং ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই।” স্মরণ রাখুন: ভালো স্বপ্নে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন, খারাপ স্বপ্নে আল্লাহর আশ্রয় নিন। কারণ স্বপ্নও হতে পারে পরীক্ষার এক রূপ।