Live update news
বজ্রপাতে ছয় জেলায় ১২ জনের মৃত্যু

ছয় জেলায় বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৯ জন।    সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে সুনামগঞ্জে। জেলার তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে পাঁচ কৃষকের মৃত্যু হয়। এ ছাড়াও রংপুরে দুইজন, ময়মনসিংহে দুইজন, নেত্রকোণায় একজন ও হবিগঞ্জে একজন ও কিশোরগঞ্জে একজনের মৃত্যু হয়েছে। জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর—   সুনামগঞ্জ সুনামগঞ্জে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে পাঁচ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরে জেলার তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার পৃথক হাওরে এ ঘটনা ঘটে।   নিহতরা হলেন- তাহিরপুর উপজেলার আবুল কালাম (২৫), জামালগঞ্জ উপজেলার নাজমুল হোসেন (২৬), ধর্মপাশা উপজেলার হাবিবুর রহমান (২৪) ও রহমত উল্লাহ (১৩) এবং দিরাই উপজেলার লিটন মিয়া (৩৮)।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কৃষকরা হাওরে ধান কাটছিলেন। এ সময় হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়। একই সঙ্গে শুরু হয় বজ্রপাত। তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরে বজ্রপাত ঘটলে আবুল কালাম নামে এক কৃষক গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।    একই সময়ে জামালগঞ্জ উপজেলার পাগনার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নাজমুল হোসেন নামে এক কৃষক নিহত হন। তিনি চানপুর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলী।   ধর্মপাশা উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় হাবিবুর রহমান ও রহমত উল্লাহ নামে দুই কৃষক নিহত হন। হাবিবুর রহমান পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা।   এছাড়াও দিরাই উপজেলার কালিয়াগোটা (আতরার) হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কৃষক লিটন মিয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।    রংপুর রংপুরে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৯ জন।  শনিবার সকালে মিঠাপুকুর উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের সখিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।    নিহতরা হলেন- ওই এলাকার মৎসজীবী মিলন মিয়া (৩৫) ও কৃষক তালেব উদ্দিন (৪৫)।   স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন জানান, সকালে ওই এলাকায় বৃষ্টি হয়। এ সময় ওই এলাকার ছোট শালমারা বিলে মাছ ধরছিলেন মৎসজীবীরা। তা দেখতে সেখানে ভিড় করেন স্থানীয় শিশুসহ ১৫-২০ জন।  একজন আরেকটি পুকুরে পানা তোলার কাজ করছিলেন। এর মধ্যে বৃষ্টির সময় বজ্রপাত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিন শিশুসহ অন্তত ১১ জন আহত হন। তাদেরকে মিঠাপুকুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মৎসজীবী মিলন মিয়া ও কৃষক তালেব উদ্দিন। কৃষক তালেব ঘটনার সময় আরেকটি পুকুরে পানা তোলার কাজ করছিলেন।    মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. মিজানুর রহমান জানান, হাসপাতালে যখন আনা হয় তখনই আমরা দুইজনকে মৃত অবস্থায় পাই।    ময়মনসিংহ ময়মনসিংহের দুই উপজেলায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুর ২টার দিকে জেলার গৌরীপুর ও গফরগাঁও উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।   নিহতরা হলেন- গৌরীপুর উপজেলার কোনাপাড়া গ্রামের ওলি মিয়ার ছেলে রহমত আলী উজ্জল (৩০) এবং গফরগাঁও উপজেলার উস্থি ইউনিয়নের ধাইরগাঁও গ্রামের মৃত সেকান্দর আলী খানের ছেলে মমতাজ আলী খান (৫৮)।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রহমত আলী উজ্জল পেশায় একজন মুদি দোকানি ছিলেন। দুপুরে বজ্রপাতের সময় তিনি বোন জামাইয়ের ধানক্ষেত দেখতে পূর্ব কোনাপাড়া গ্রামে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়।   গৌরীপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান বলেন, বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।   অন্যদিকে গফরগাঁও উপজেলার উস্থি ইউনিয়নের বাসিন্দা মমতাজ আলী খান জোহরের নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে হঠাৎ বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   গফরগাঁও থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, বজ্রপাতে মমতাজ আলী খানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।   নেত্রকোণা নেত্রকোণার আটপাড়া উপজেলায় হাওড়ে গরুর জন্য ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আলতু মিয়া (৬৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু। শনিবার দুপুরে উপজেলার সুখারী ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামের সামনের মেষির হাওড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আলতু মিয়া হাতিয়া গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে।   স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১টার দিকে গ্রামের সামনের মেষি হাওড়ে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যান আলু মিয়া। এর কিছুক্ষণ পর আকাশ অন্ধকার করে বৃষ্টিসহ বজ্রপাত শুরু হয়। বজ্রপাত ও বৃষ্টি শেষ পর স্থানীয় বাসিন্দারা হাওরে গিয়ে আলতু মিয়ার নিহর দেহ পরে থাকতে দেখে বাড়িতে নিয়ে আসেন।   আটপাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুবায়দুল আলম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে, মরদেহের সুরতাল প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে।   হবিগঞ্জ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় জমিতে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সুনাম উদ্দিন (৫৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরে উপজেলার ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়নের মমিনা হাওরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুনাম উদ্দিন একই ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের বাসিন্দা।   পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বর্গা নেওয়া বোরো জমিতে ছেলে নুরুজ্জামান মিয়াকে (২৫) নিয়ে ধান কাটছিলেন সুনাম উদ্দিন। কাটা ধান ছেলেকে দিয়ে বাড়ি পাঠাচ্ছিলেন। এ সময় বৃষ্টি শুরু হলে হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে আশপাশের শ্রমিকরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে খবর দেন।    ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. জুয়েল মিয়া বলেন, সুনাম উদ্দিন চার ছেলেকে নিয়ে বর্গা জমিতে চাষ করতেন। সারা বছরের পরিশ্রমের ফসল ঘরে তোলার সময় তার মৃত্যুতে পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পড়েছে।   কিশোরগঞ্জ কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে হলুদ মিয়া (৩৭) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।  শনিবার দুপুর ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।   নিহত হলুদ মিয়া উপজেলার ৯ নম্বর জয়কা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কলাবাগ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নুরুল ইসলামের ছেলে।   স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে বড় হাওরে ধান কাটার সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হন হলুদ মিয়া। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়।   করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমরানুল কবির বলেন, বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

৫২ মিনিট Ago
অপু ছেড়ে দিলেও লুফে নেন বুবলী!

এবারের ঈদুল ফিতরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা সিনেমা ‘প্রেশার কুকার’ দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। পরিচালক রায়হান রাফী নায়ক ছাড়াই চার নারী চরিত্রকে কেন্দ্র করে সিনেমাটি নির্মাণ করায় এটি নিয়ে শুরু থেকেই ছিল ভিন্ন ধরনের আগ্রহ ও আলোচনা।   সিনেমাটিতে চার প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি, শবনম বুবলী, স্নিগ্ধা চৌধুরী ও মারিয়া শান্ত। এর মধ্যে নাজিফা তুষির অভিনয় বিশেষভাবে দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।   জানা গেছে, ছবির একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের জন্য প্রথমে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে। তবে গল্প ও চরিত্রের উপস্থাপন তার কাছে সন্তোষজনক না হওয়ায় তিনি কাজটি করতে রাজি হননি। পরবর্তীতে সেই চরিত্রে যুক্ত হন শবনম বুবলী।   এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অপু বিশ্বাস চরিত্রটির গভীরতা ও উপস্থাপন নিয়ে সন্তুষ্ট না হওয়ায় প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দেন। এরপরই সেই চরিত্রে বুবলীকে চূড়ান্ত করা হয়।   উল্লেখ্য, এর আগেও অপু বিশ্বাসের ছেড়ে দেওয়া একটি প্রজেক্টে কাজ করেছেন বুবলী। শুরুর দিকে ‘বসগিরি’ সিনেমায় অপু বিশ্বাসের যুক্ত থাকার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তিনি সরে দাঁড়ালে সেই সিনেমার মাধ্যমেই বড় পর্দায় অভিষেক হয় বুবলীর, যা তাকে আলোচনায় নিয়ে আসে।   এদিকে বিনোদন অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে অপু বিশ্বাস ও বুবলীর পেশাগত সম্পর্ক ও বিভিন্ন সিনেমা ঘিরে ওঠা বিতর্ক। ‘প্রেশার কুকার’-এর এই নতুন তথ্য সামনে আসায় সেই পুরোনো আলোচনাও আবার নতুন করে সামনে এসেছে।   তবে সিনেমা সংশ্লিষ্টদের মতে, একাধিক শিল্পীর কাছে প্রস্তাব যাওয়া চলচ্চিত্র জগতে স্বাভাবিক বিষয়। গল্প ও চরিত্রের সঙ্গে মানানসই শিল্পীকেই শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত করা হয়।   ‘প্রেশার কুকার’ মূলত ঢাকা শহরের নাগরিক জীবনের চাপ, সামাজিক দ্বন্দ্ব এবং চার নারীর ব্যক্তিগত সংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত একটি ভিন্নধর্মী গল্প।

১ ঘন্টা Ago
জাবির হলে মাদক সেবনরত অবস্থায় নারী শিক্ষার্থীকে আটক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের(জাবি) নবাব ফয়জুন্নেসা হলে গাঁজাসহ এক ছাত্রীকে হাতে-নাতে আটক করেছে হল প্রশাসন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে হলের ১১৬ নম্বর কক্ষ থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায় তাকে আটক করা হয়। অভিযুক্ত ওই ছাত্রীর নাম ইনিশা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী।   নবাব ফয়জুন্নেসা হলের যে কক্ষটিতে অভিযান চালানো হয়, সেটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির (কক্ষ নম্বর-১১৬)। ইনিশা ওই কক্ষে এসে মাদক সেবন করছিলেন।   নবাব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানমের অভিযোগের ভিত্তিতে হলের ওয়ার্ডেন সুলতানা আক্তার ওই কক্ষে অভিযান চালান। অভিযানকালে ইনিশাকে মাদকসহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া হলের সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা তুজ যোহরা (প্রাণিবিদ্যা বিভাগ) ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত ইনিশাকে নিয়ে যান।   এ বিষয়ে নবাব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানম বলেন, আগেও ওই মেয়ে বহিরাগত নিয়ে হলে আসতো। আগে এমন অভিযোগ শুনেছি, আর আজ তাকে হাতে-নাতে ধরেছি। আমি এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।   ঘটনার বিষয়ে নবাব ফয়জুন্নেসা হলের প্রভোস্ট গোলাম মোস্তফা জানান, হলের জিএস সুমাইয়া খানমের অভিযোগের ভিত্তিতে ওয়ার্ডেন সুলতানা আক্তার ওই ছাত্রীর কক্ষে অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধার করেছেন।   তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের লক্ষ্যে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   অন্যদিকে, বেগম খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট মঞ্জুর ইলাহি বলেন, ওই মেয়ে বর্তমানে আমাদের হলে থাকে না। ফয়জুন্নেসা হলের তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।   সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, এ বিষয়ে হল প্রশাসন বিস্তারিত বলতে পারবে। ঘটনার সত্যতা ও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিযুক্তকে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করবে।   ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করায় তার সাথে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। 

১ ঘন্টা Ago
চমকের নতুন চমক, চাইলেন দোয়া

শোবিজ অঙ্গন থেকে রাজনীতির পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। ২০১৭ সালে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রানারআপ হয়ে যাত্রা শুরু করা এই তারকা এখন নতুন অধ্যায়ের দিকে এগোচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।   সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে চমক বলেন, তিনি একটি নতুন যাত্রা শুরু করেছেন এবং শিগগিরই বিস্তারিত জানাবেন। পাশাপাশি ভক্তদের কাছে দোয়া ও সমর্থনও চান তিনি।   এরই মধ্যে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারে অংশ নেন চমক। বিএনপির পক্ষ থেকে শুরু হওয়া এই সাক্ষাৎকার পর্বে অংশ নিয়ে বের হওয়ার সময় তাকে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখা যায়।   সাক্ষাৎকার শেষে গণমাধ্যমকে তিনি জানান, দেশের জন্য কাজ করার ইচ্ছা থেকেই তার এই সিদ্ধান্ত। বিশেষ করে নারীদের নিয়ে কাজ করতে চান বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন, আর বিএনপি সেই সুযোগ দিতে পারে বলেই তিনি মনে করছেন।   চমক আরও বলেন, তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল তিনি বিএনপির হয়ে কাজ করতে চান কি না—জবাবে তিনি সম্মতি দিয়েছেন। তবে তার মূল লক্ষ্য দেশের সেবা করা। দল সুযোগ দিলে তিনি কৃতজ্ঞ থাকবেন বলেও জানান।   এর আগে একই দিন রাতে নিজের ফেসবুকেও একটি পোস্ট দেন এই অভিনেত্রী। কিছুটা রহস্য রেখে সেখানে তিনি লেখেন, নতুন একটি যাত্রা শুরু করেছেন এবং শিগগিরই সব জানাবেন।

১ ঘন্টা Ago
ফাইল ছবি।
অর্থনীতি
দেশে বেড়ে গেল জ্বালানি তেলের দাম

বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে চলমান অস্থিরতার মধ্যে শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়ে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।   নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ১৯ টাকা ও অকটেনের দাম লিটার প্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। সেইসঙ্গে ডিজেলের দাম বেড়েছে প্রতি লিটারে ১৫ টাকা।   এর ফলে, বর্তমানে প্রতি লিটার অকটেনের দাম দাঁড়িয়েছে ১৪০ টাকা, পেট্রোলের দাম হয়েছে ১৩৫ টাকা এবং ডিজেলের দাম হয়ে গেছে ১১৫ টাকা।   রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে সারাদেশে কার্যকর হচ্ছে নতুন এই দাম।   শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই দাম সমন্বয়ের কথা জানানো হয়।    মন্ত্রণালয়ের বার্তায় জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে দেশের বাজারেও এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতি লিটার অকটেন ১৪০ টাকা এবং পেট্রোল ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হবে। একইসঙ্গে ডিজেলের দাম প্রতি লিটার ১১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।    নতুন সিদ্ধান্তে দাম বাড়ানো হয়েছে কেরোসিনেরও। রোববার (১৯ এপ্রিল) থেকে প্রতি লিটার কেরোসিন বিক্রি হবে ১৩০ টাকায়।    জ্বালানি তেলের দাম পুনর্নির্ধারণের আগে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার অকটেনের মূল্য ছিল ১২০ টাকা এবং পেট্রোলের মূল্য ছিল ১১৬ টাকা। এছাড়া কেরোসিনের দাম ছিল প্রতি লিটার ১১২ টাকা এবং ডিজেলের মূল্য ছিল লিটারপ্রতি ১০০ টাকা। 

এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
প্রতীকী ছবি।
ফুরিয়ে আসছে আলোচনার সময়, মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের ডঙ্কা

টানা ৩৮ দিনের সংঘাতের পর যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে, তার মেয়াদ ফুরিয়ে আসছে দ্রুত। এর মধ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় বিবাদমান দুই পক্ষ স্থায়ী যুদ্ধবিরতি টানার লক্ষ্যে এক দফা আলোচনার টেবিলে বসলেও ভেস্তে গেছে তা। ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে নিজেদের শর্ত মেনে নিতে এখন নানাভাবে চাপ দিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাময়িক যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার আগে ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরাতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে পাকিস্তান ও মিসরও।    কিন্তু, যুক্তরাষ্ট্রের একের পর এক উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড তাঁতিয়ে তুলছে তেহরানকে। ফলে, অনেকটা নিশ্চিতিভাবেই আবারও যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দুই পক্ষ ।      শনিবার (১৮ এপ্রিল) রয়টার্স, আল জাজিরা, মিডল ইস্ট মনিটরসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন বিশ্লেষণে পাওয়া গেছে এমন ইঙ্গিত।    সাময়িক যুদ্ধবিরতির মধ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর থেকেই ইরানকে বিভিন্ন হুমকি-ধমকি ও চাপ দিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই অংশ হিসেবে হরমুজ প্রাণালিতে অবরোধ জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সেইসঙ্গে লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্রের ছত্রছায়ায় লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল।    এসবের মধ্যেও শান্তি আলোচনার পথে পা বাড়ানোর ইঙ্গিত হিসেবে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেয় ইরান। কিন্তু, পারমাণবিক কর্মসূচি ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত পুরোপুরি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত  ইরানের বন্দরগুলোতে নিজেদের অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প; সেইসঙ্গে দেন ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিজের কব্জায় নেওয়ার হুমকিও।   একইসঙ্গে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরান ‘সবকিছুতে রাজি’ হয়েছে। এর মধ্যে দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ও রয়েছে।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের ইউরেনিয়াম নিজের দখলে নিয়ে কোনো সেনার প্রয়োজন হবে না তার। চুক্তির মাধ্যমেই ইরানে গিয়ে তাদের ইউরেনিয়াম নিয়ে নেওয়া হবে।    মূলত, ট্রাম্পের এমনসব কর্মকাণ্ডই ক্ষেপিয়ে তুলেছে তেহরানকে; তৈরি হয়েছে চরম অবিশ্বাস। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’ এক বিবৃতিতে মার্কিন অবরোধকে ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছে, ‘মার্কিন জলদস্যুতার কারণেই হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। এখন থেকে এই কৌশলগত নৌপথটি সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’   ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরমুখী এবং ইরান থেকে ছেড়ে যাওয়া জাহাজগুলোর চলাচলের পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরিয়ে না দেবে, ততক্ষণ এ কড়াকড়ি বজায় থাকবে।   এ পদক্ষেপের পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ভয়ংকর এক বার্তা দিয়েছেন ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। শনিবার নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ইরানের ‌নৌবাহিনী শত্রুদের নতুন পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ আস্বাদন করানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে।   ইরানের সেনাবাহিনী প্রতিষ্ঠার বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দেওয়া বার্তায় যুদ্ধের সময় ওই অঞ্চলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলার প্রশংসা করেন তিনি।   মোজতবা খামেনি বলেন, ইরানের সেনাবাহিনী শত্রুদের দুর্বলতা ও অপমানিত হওয়ার বিষয়টি বিশ্ববাসীর সামনে উন্মোচন করেছে। ইরানি ড্রোন মার্কিন ও জায়নবাদী অপরাধীদের ওপর বজ্রপাতের মতো আঘাত করেছে।   এদিকে হরমুজে নতুন করে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও সেনা মোতায়েনের খবরও পাওয়া গেছে ইতোমধ্যে। শনিবার এক সাক্ষাৎকারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, আলোচনা এগোলেও ইরান কিছুটা ‘চালাকি’ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কঠোর।   ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকির দিকে ইঙ্গিত করে এরপর ট্রাম্প বলেন, ‘তারা আবারও প্রণালিটি বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল, যা তারা বছরের পর বছর ধরে করে আসছে। কিন্তু আমাদের ব্ল্যাকমেইল করা যাবে না।’    সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচোনায় আগামী ৫ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শান্তি আলোচোনায় বসার সম্ভাবনা অনেকটাই ক্ষীণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইরানি অধ্যাপক মোস্তফা খোশচেশম বলেন, ইরান কোনো ধরনের চুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ‘নির্ভরযোগ্য অংশীদার’ হিসেবে বিবেচনা করতে পারে না। যুক্তরাষ্ট্র যতদিন তার বিশ্বাসঘাতকতামূলক আচরণ বজায় রাখবে, ইরান ততদিন ‘যুদ্ধ চালিয়ে যাবে’।   তেহরানের বর্তমান পরিস্থিতি ও জনমানস সম্পর্কে খোশচেশম বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এখন ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষও প্রতিরোধের পক্ষে। লাখ লাখ মানুষ প্রতি রাতে রাজপথে নেমে এসে এই ‘প্রতিরোধ’ জারি রাখার দাবি জানাচ্ছে।   আল–জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই অধ্যাপক আরও বলেন, ‘ইরান বিশ্বাস করে যে তারা বর্তমানে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের মুখোমুখি লড়াইয়ের ক্ষেত্রে তারা এই শ্রেষ্ঠত্ব বা আধিপত্য প্রমাণ করতে চায়।’   অবশ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তির জন্য খুব জোরালোভাবে কাজ করছে মিসর ও পাকিস্তান। মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তি করার জন্য মিসর ও পাকিস্তান ‘খুব জোরালোভাবে’ কাজ করছে।   তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এটি করতে পারব। শুধু আমাদের অঞ্চলেই নয় বরং পুরো বিশ্বই এই যুদ্ধের কারণে ভুগছে।’   এছাড়া, পাকিস্তান সরকারের কয়েকটি সূত্রের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদল সম্ভবত আগামী সোমবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার কারিগরি পর্যায়ের আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। তাদের লক্ষ্য হলো, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সপ্তাহব্যাপী চলা সংঘাতের একটি স্থায়ী সমাধান চূড়ান্ত করা, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও মধ্যপ্রাচ্যের জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে।   সূত্রগুলো আরও জানায়, ১১–১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে প্রথম দফার বৈঠকের পর থেকেই বিবদমান দুই পক্ষ ইসলামাবাদের মাধ্যমে একে অপরের কাছে বার্তা পাঠাচ্ছে। বহুল প্রতীক্ষিত এই আলোচনার পরবর্তী ধাপ শুরু হওয়ার আগেই তারা একটি ‘সর্বোচ্চ বোঝাপড়ায়’ পৌঁছাতে চাইছে।   তবে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনার বিষয়ে ইরান এখনো রাজি হয়নি বলে জানিয়েছে দেশটির আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম।   তাসনিমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান মনে করে, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের সময় যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত দাবি উত্থাপন করেছে। ইরান সেই দাবিগুলো বাদ দেওয়াকে আলোচনার শর্তগুলির একটি হিসেবে উল্লেখ করেছে।   সেইসঙ্গে তেহরান এটাও স্পষ্ট করেছে যে তারা দীর্ঘ এবং ফলহীন আলোচনা করে সময় নষ্ট করতে চায় না।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি:ধ সংগৃহীত
হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের ক্ষমাহীন অপরাধ: প্রধানমন্ত্রী

সারাদেশে শিশুদের হামের টিকা না দেওয়া বিগত দুই সরকারের ‘জীবনবিনাশী ব্যর্থতা’ ক্ষমাহীন অপরাধ বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  তিনি বলেন, আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, ভবিষ্যতে আর কখনোই যাতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলন-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সারা দেশে জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকা দিয়ে ত্বরিত ব্যবস্থা নেওয়ায় আল্লাহর রহমতে পরিস্থিতির অবনতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে। এ জন্য আমি সব চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীসহ সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।  ‘যারা তাদের প্রিয় সন্তান হারিয়েছেন, সেই সব মা–বাবা ও স্বজনদের কাছে আমি ব্যক্তিগতভাবে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। দেশের প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে জবাবদিহির আওতায় এনে নাগরিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।’ উপজেলা স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও বিকেন্দ্রীকরণে সরকার বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং উন্নত ল্যাব—প্রায় সবকিছুই ঢাকাকেন্দ্রিক। এই বাস্তবতা থেকে বেরিয়ে এসে জেলা ও উপজেলাভিত্তিক হাসপাতালগুলোর মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।    ‘শহর ও গ্রামাঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্য দূর করে সেবার বিকেন্দ্রীকরণ বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। যদিও কাজটি এক মাস বা এক বছরে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়; তবুও সরকার ধাপে ধাপে এটি অর্জনের পথে রয়েছে।’    অনুষ্ঠানে উপস্থিত সব চিকিৎসক ও কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা পেশার গুরুত্ব যে কোনো পেশার চেয়ে বেশি এবং বর্তমান সরকার সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।  তিনি বলেন, চিকিৎসকেরা রোগ-শোকে কাতর মানুষের পরম বন্ধু এবং বিপদের প্রকৃত সঙ্গী। একজন চিকিৎসকের উপদেশ ও আন্তরিক ব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে ওষুধের চেয়েও বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তাই পেশাগত উৎকর্ষের পাশাপাশি মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠা চিকিৎসকদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান সরকার ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ’ গড়তে চায় উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে স্বাস্থ্যনীতির রূপরেখা তুলে ধরেছিলাম। চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় বর্তমান সরকারের নীতি হচ্ছে, ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’ বা প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। আমরা যদি রোগের শুরুতেই রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে পারি, তাহলে রোগের বিস্তার মোকাবিলা করা সম্ভব। আমাদের এই নীতি বাস্তবায়নে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কর্মকর্তাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশ অসংক্রামক রোগের কারণে হয়ে থাকে। সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে উপযুক্ত সচেতনতা সৃষ্টি করার পাশাপাশি অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যে প্রণীত ‘যৌথ ঘোষণা’ বাস্তবায়নে কাজ শুরু হয়েছে।    তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার বিশ্বাস করে, ইউএইচএফপিও অর্থাৎ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কর্মকর্তারা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি। মানসম্মত চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কর্মযজ্ঞে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং সদস্যরা প্রথম সারির যোদ্ধা। ‘হেলথ কেয়ার ম্যানেজমেন্ট’ এবং ‘হেলথ কেয়ার অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ম্যানেজমেন্ট’ একটি অপরটির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।  দেশের স্বাস্থ্য খাত নিয়ে বিএনপি সরকার বিস্তারিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ক্রমান্বয়ে স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।  ‘আজকের স্বাস্থ্যসেবা ভবিষ্যতের বিনিয়োগ’ আমেরিকার বিখ্যাত পুষ্টিবিদ প্রয়াত জ্যাক লালেনের উক্তি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ কারণেই যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস এনএইচএসের জেনারেল প্র্যাকটিশনার জিপির আদলে প্রতিটি উপজেলা এবং পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন করার চিন্তা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই স্বাস্থ্যসেবা ইউনিটগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য বর্তমান সরকার ধারাবাহিকভাবে সারা দেশে এক লাখ ‘হেলথ কেয়ারার’ নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই হেলথ কেয়ারারের ৮০ শতাংশই হবেন নারী। হেলথ কেয়ারাররা মানুষের দোরগোড়ায় গিয়ে জনগণকে প্রাথমিক হেলথ কেয়ার দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার শিগগিরই একটি সমন্বিত ই-হেলথ কার্ড চালু করতে যাচ্ছে, যার মাধ্যমে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের স্বাস্থ্যতথ্য ডিজিটালি সংরক্ষিত থাকবে। এতে যেকোনো নাগরিক প্রয়োজনে দেশের যেকোনো হাসপাতালে সহজেই চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এর পাশাপাশি বর্তমান সরকার ধাপে ধাপে একটি জাতীয় স্বাস্থ্যবিমাব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা নিয়েছে। যাতে কোনো নাগরিক চিকিৎসা ব্যয়ের কারণে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন।   সবশেষে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সম্মেলনের মাধ্যমে আমি একটি বার্তা দিতে চাই, সেটি হলো প্রত্যেক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিজ নিজ এলাকায় একটি কার্যকর, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক স্বাস্থ্যসেবাব্যবস্থা গড়ে তুলতে নেতৃত্ব দেবেন।  তিনি আরও বলেন, আপনারা একটি জবাবদিহিমূলক, টেকসই ও জনগণকেন্দ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলবেন। আপনাদের প্রত্যেকে নিজ নিজ এলাকার কর্মস্থলকে একটি মডেল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পরিণত করবেন, আপনাদের কাছে এই প্রত্যাশা।  

জাবির হলে মাদক সেবনরত অবস্থায় নারী শিক্ষার্থীকে আটক
জাবির হলে মাদক সেবনরত অবস্থায় নারী শিক্ষার্থীকে আটক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের(জাবি) নবাব ফয়জুন্নেসা হলে গাঁজাসহ এক ছাত্রীকে হাতে-নাতে আটক করেছে হল প্রশাসন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে হলের ১১৬ নম্বর কক্ষ থেকে মাদক সেবনরত অবস্থায় তাকে আটক করা হয়। অভিযুক্ত ওই ছাত্রীর নাম ইনিশা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী।   নবাব ফয়জুন্নেসা হলের যে কক্ষটিতে অভিযান চালানো হয়, সেটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির (কক্ষ নম্বর-১১৬)। ইনিশা ওই কক্ষে এসে মাদক সেবন করছিলেন।   নবাব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানমের অভিযোগের ভিত্তিতে হলের ওয়ার্ডেন সুলতানা আক্তার ওই কক্ষে অভিযান চালান। অভিযানকালে ইনিশাকে মাদকসহ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া হলের সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা তুজ যোহরা (প্রাণিবিদ্যা বিভাগ) ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত ইনিশাকে নিয়ে যান।   এ বিষয়ে নবাব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানম বলেন, আগেও ওই মেয়ে বহিরাগত নিয়ে হলে আসতো। আগে এমন অভিযোগ শুনেছি, আর আজ তাকে হাতে-নাতে ধরেছি। আমি এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।   ঘটনার বিষয়ে নবাব ফয়জুন্নেসা হলের প্রভোস্ট গোলাম মোস্তফা জানান, হলের জিএস সুমাইয়া খানমের অভিযোগের ভিত্তিতে ওয়ার্ডেন সুলতানা আক্তার ওই ছাত্রীর কক্ষে অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধার করেছেন।   তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের লক্ষ্যে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   অন্যদিকে, বেগম খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট মঞ্জুর ইলাহি বলেন, ওই মেয়ে বর্তমানে আমাদের হলে থাকে না। ফয়জুন্নেসা হলের তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।   সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, এ বিষয়ে হল প্রশাসন বিস্তারিত বলতে পারবে। ঘটনার সত্যতা ও প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিযুক্তকে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করবে।   ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করায় তার সাথে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। 

গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র বাড়াচ্ছে চীন
গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র বাড়াচ্ছে চীন

বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় চীনের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, বেইজিং নীরবে তাদের পারমাণবিক অবকাঠামো উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণ করছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের সিচুয়ান প্রদেশে নতুন সামরিক স্থাপনা নির্মাণ, গ্রাম উচ্ছেদ এবং রহস্যময় গম্বুজাকৃতির ভবন তৈরির মাধ্যমে এই কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট গবেষণা কেন্দ্রগুলোরও পরিধি বাড়ানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   অনুসন্ধানী এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘ সময় স্থবির থাকার পর হঠাৎ করেই এ অঞ্চলে পারমাণবিক অবকাঠামোর বড় ধরনের বিস্তার ঘটছে। এতে বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য নতুন অস্ত্র প্রতিযোগিতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।   স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে সিএনএন জানায়, ‘সাইট ৯০৬’ নামে পরিচিত একটি গোপন সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। আগে প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকা এ স্থাপনাটিতে এখন নতুন ভবন, সুড়ঙ্গ এবং শক্তিশালী গম্বুজ কাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, তেজস্ক্রিয় উপাদান যেমন ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়ামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং গবেষণা কার্যক্রম গোপন রাখতেই এমন কাঠামো তৈরি করা হতে পারে।   মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক দশকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় পারমাণবিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে চীন—এমন দাবি তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রশাসন।   সিএনএন-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, চীনের মোট ১৩৬টি পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনার মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশেই সম্প্রসারণ কাজ চলছে। বিশেষ করে ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এসব স্থাপনার আয়তন প্রায় ২০ লাখ বর্গমিটার বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, চীন নতুন প্রজন্মের আরও শক্তিশালী ও নির্ভুল পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে এগোচ্ছে। বিশেষ করে একাধিক ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।   তবে এসব অভিযোগ বরাবরের মতোই অস্বীকার করেছে বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, তাদের পারমাণবিক নীতি সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক। যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্য ধরে রাখতে চীনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ তুলছে বলেও তারা মনে করে।   এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য বেইজিং সফরকে ঘিরে কূটনৈতিক চাপ বাড়তে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ান ইস্যুতে আগে থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে, এর মধ্যে নতুন এই তথ্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।   উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও চীন ও যুক্তরাষ্ট্র এখনো তা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করেনি। যদিও আন্তর্জাতিকভাবে এই চুক্তির নীতিমালা মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সর্বশেষ চীন ১৯৯৬ সালে এবং যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯২ সালে পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়।   বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র নতুন একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তিতে চীনকে অন্তর্ভুক্ত করতে চাপ দিচ্ছে। রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিউ স্টার্ট’ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিশ্বে আবারও পারমাণবিক প্রতিযোগিতা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ছবি:; সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে ভারতীয় জাহাজে হামলা, যা জানা গেল

হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার সময় একটি ভারতীয় বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে ভারত সরকারের একটি উচ্চপদস্থ সূত্র।  ‘সানমার হ্যারাল্ড’ নামের ওই জাহাজটি অপরিশোধিত তেল বহন করছিল। হামলার কবলে পড়লেও জাহাজ এবং এর ভেতরে থাকা সকল ক্রু সদস্য সুরক্ষিত আছেন বলে জানানো হয়েছে। রয়টার্স জানায়, ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ডের দু’টি গানবোট থেকে জাহাজটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এর ফলে সানমার হ্যারাল্ডসহ অন্তত দুটি ভারতীয় জাহাজ তাদের গতিপথ পরিবর্তন করে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে।  এদের মধ্যে একটি সুপারট্যাঙ্কারে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল ইরাকি তেল ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে উত্তেজনার জেরে ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে পুনরায় নিষেধাজ্ঞা ও কড়াকড়ি আরোপ করার পরপরই এই হামলার ঘটনা ঘটলো। এই ঘটনার প্রতিবাদে নয়া দিল্লি তাৎক্ষণিকভাবে ভারতে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফাতালিকে তলব করেছে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এই হামলার বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং সমুদ্রপথে ভারতীয় জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তোলা হয়েছে। উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান এই জলপথ খুলে দিতে রাজি হয়েছে বলে জানালেও শনিবার ইরান তার অবস্থান পরিবর্তন করে। ইরানি সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, তাদের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ বহাল থাকা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে কড়াকড়ি জারি থাকবে।  এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের কারণে ওই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা করা হচ্ছে।   সূত্র: রয়টার্স।   

জাতীয়

Recommended posts

রাজনীতি

View more
তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় তারেক রহমানের নাম
এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0

বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম। বুধবার ২০২৬ সালের বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির ওই তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত সাময়িকী টাইম। এতে ‘লিডারস’ ক্যাটাগরিতে ১৬তম অবস্থানে রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।   টাইমের এ বছরের বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছেন খ্রিস্টান ধর্মের রোমান ক্যাথলিক শাখার সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ।    এরপর লিডারস ক্যাটাগরির এই তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছেন যথাক্রমে মেক্সিকোর মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। আর এরপরই চতুর্থ স্থানে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।   লিডারস ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় বেছে নেওয়ার বিষয়ে টাইম ম্যাগাজিনের এডিটর অ্যাট-লার্জ ক্যাম্পবেল বলেছেন, মাত্র কয়েক মাস পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায়, তারেক রহমান দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনের গাছপালায় ঘেরা নিরিবিলি পরিবেশে চিন্তামুক্ত এক নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন।    কিন্তু ২০২৪ সালে বাংলাদেশের স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন ৫৭ বছর বয়সী এই রাজনীতিককে বিরোধী দলের আন্দোলনকারী থেকে দেশের প্রতীক্ষিত এক জাতীয় নেতায় পরিণত করেছে; স্বদেশ থেকে দীর্ঘ ১৭ বছর দূরে থাকার পর গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের মধ্য দিয়ে তার সেই নিয়তি পূরণ হয়েছে।   টাইমে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে লেখা প্রোফাইলে বলা হয়েছে, নির্বাচনে জয়ের মধ্য দিয়ে তারেক রহমান তার মা খালেদা জিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করেন, যিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমানের ঢাকা ফেরার মাত্র পাঁচ দিন পর মারা যান বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।   গত জানুয়ারিতে ‘টাইম’ ম্যাগাজিনকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তারেক রহমান। সেই সময় তার মাকে হারানোর শোক ছিল একদম টাটকা। তবে তিনি এই শোককে সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের দেশকে ঐক্যবদ্ধ ও দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিকে আবারও চাঙা করার কাজে ব্যবহারের অঙ্গীকার করেন।    বাংলাদেশ বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও তরুণ বেকারত্বের সমস্যায় জর্জরিত এবং আঞ্চলিক পরাশক্তি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এ সবকিছুরই দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন।   টাইম লিখেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘হানিমুন পিরিয়ড’ বা প্রাথমিক স্বস্তির সময়টুকু হয়তো অন্যদের তুলনায় সংক্ষিপ্ত হবে। কিন্তু অনেক বছর রাজনৈতিক নির্বাসনে থাকার পর তিনি আর বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।    টাইম ম্যাগাজিনকে তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমাদের একসাথে কাজ করা ও ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন; যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।  

সরকারের কাঁধে শেখ হাসিনার ভূত চেপেছে: মামুনুল হক
সরকারের কাঁধে শেখ হাসিনার ভূত চেপেছে: মামুনুল হক
এপ্রিল ১৪, ২০২৬ 0

বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মুহাম্মাদ মামুনুল হক বলেছেন, সরকারের আচরণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা–এর শাসনামলের প্রতিচ্ছবি দেখা যাচ্ছে। তার ভাষায়, এটি “জনগণকে অপমান করার পুরনো ধারা”রই ধারাবাহিকতা।   সোমবার রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ১১ দলীয় জোটের এক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক ওই সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডা. শফিকুর রহমান।   মামুনুল হক বলেন, গত ১৫ বছরের শাসনামলে জনগণকে উপেক্ষা ও অপমান করার একটি প্রবণতা গড়ে উঠেছিল। তার দাবি, উন্নয়নকে সামনে রেখে গণতন্ত্রের নতুন সংজ্ঞা দাঁড় করানো হয়েছিল, যেখানে জনগণের মতামতের গুরুত্ব কমিয়ে দেখা হয়।   তিনি আরও অভিযোগ করেন, বর্তমান সময়েও জনগণের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করা হচ্ছে।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ–এর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জনগণকে অবমূল্যায়ন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এ ধরনের মনোভাব পরিহার করা উচিত।   বক্তারা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনগণের অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানান।

নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন কিনলেন যেসব তারকা
নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন কিনলেন যেসব তারকা
এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনোদন অঙ্গনের একঝাঁক তারকা ছিলেন মনোয়নপ্রত্যাশীর তালিকায়। তবে শেষ পর্যন্ত দলের টিকিট পাননি তারা। এবার সংরক্ষিত নারী আসনে মনোয়নপ্রত্যাশীদের তালিকায় দেখা যাচ্ছে তারকাদের।   শনিবার (১১ এপ্রিল) বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা, বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন ও নৃত্যশিল্পী ফারহানা চৌধুরী বেবী।   মননোয়ন ফরম সংগ্রহ করে কনকচাঁপা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মহান সংসদে দাঁড়িয়ে জনগণের কথা বলতে চাই। জনগণের দুঃখের কথা বলতে চাই।’   এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-১ আসনে থেকে দলীয় প্রতীকে ভোটের মাঠে লড়তে মননোয়ন কিনেছিলেন এই গায়িকা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই আসন থেকে দলটি মননোয়ন দেন সেলিম রেজাকে।   অন্যদিকে বেবী নাজনীন নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ) আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।   রিজিয়া পারভীন ফরম জমা দেওয়ার পর গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দল ত্যাগীদের মূল্যায়ন করবে। ত্যাগীদের পাশাপাশি মেধাবী ও যোগ্যতা সবকিছু মিলায়ে আমি আশাবাদী।’   মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বিএনপির বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ ময়মনসিংহ-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ চৌধুরীর মেয়ে ফারহানা চৌধুরী বেবী। বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

গ্রেফতার হওয়ার আগে দেড় বছর কোথায় ছিলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী?
গ্রেফতার হওয়ার আগে দেড় বছর কোথায় ছিলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী?
এপ্রিল ৮, ২০২৬ 0

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে তাকে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এসময় পুলিশ দুই দিনের রিমান্ডের আবেদন জানালেও আদালত তা নাকচ করে দেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।   প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে গ্রেফতার হলেন তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করা এই সাবেক স্পিকার। মঙ্গলবার ভোরে ঢাকার ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং পরে মিন্টো রোড কার্যালয়ে নেওয়া হয়।   পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঢাকা ও রংপুরে সংঘটিত জুলাইয়ের কয়েকটি হত্যা মামলায় তার নাম রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকার লালবাগ থানায় দায়ের করা একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে তোলা হয়েছে বলে জানান ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম।   ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের কিছুদিন পরই স্পিকারের পদ থেকে সরে দাঁড়ান শিরীন শারমিন চৌধুরী। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি জনসমক্ষে আসেননি, ফলে তার অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়।   গণঅভ্যুত্থানের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি সপরিবারে ঢাকা সেনানিবাসে আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে পরে প্রকাশিত একটি তালিকা থেকে জানা যায়। পরবর্তীতে সেনানিবাস থেকে বের হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে গোপনে অবস্থান করছিলেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।   পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়, যা তার স্বামীর নামে বলে জানা গেছে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তার গতিবিধি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।   গোয়েন্দা কর্মকর্তারা আরও জানান, গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় তার নাম রয়েছে। এর মধ্যে রংপুরে এক শ্রমিক হত্যার মামলাও রয়েছে, যেখানে তাকে আসামি করা হয়েছে।   ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনের মাধ্যমে সংসদে প্রবেশ করেন শিরীন শারমিন চৌধুরী। পরে তিনি মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ সালে দেশের ইতিহাসে প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন এবং ২০২৪ সাল পর্যন্ত টানা তিন মেয়াদে এ দায়িত্ব পালন করেন।

Follow us

Trending

রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে চাকরির সুযোগ, বেতন ৪৫ হাজার
রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে চাকরির সুযোগ, বেতন ৪৫ হাজার

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন বিভাগে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট অফিসার পদে জনবল নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৬ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।   এক নজরে নিয়োগের বিস্তারিত   প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) বিভাগের নাম: অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট অফিসার পদসংখ্যা: ০১ জন শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমান অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম ১ বছর চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয় বয়সসীমা: নির্ধারিত নয় বেতন: ৪৫,০০০ টাকা কর্মস্থল: ঢাকা   আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন। আবেদনের শেষ তারিখ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫

অক্টোবর ১১, ২০২৫
দেশজুড়ে
আন্তর্জাতিক
বিনোদন
খেলা

ধর্ম
লাইফস্টাইল
আবহাওয়া
ফিচার
মিডিয়া
প্রবাস
সোশ্যাল মিডিয়া
বিজ্ঞান
স্বাস্থ্য
শিক্ষা
তথ্যপ্রযুক্তি
আইন-বিচার
চাকরি
অর্থনীতি
রাজধানী