সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক কঠোর বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানকে নিয়ে তীব্র অবস্থান তুলে ধরেছেন। তার এই পোস্টের পর ওয়াশিংটন–তেহরান উত্তেজনা নতুন করে বিশ্ব রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। পোস্টে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা এখন আর দীর্ঘায়িত করার সুযোগ নেই। তার ভাষায়, “আর কোনো ভদ্রতা নয়”—এই ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি তেহরানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ধৈর্য সীমিত হয়ে আসছে বলে বার্তা দেন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেন, কার্যকর কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে পরিস্থিতি আরও কঠোর হতে পারে। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে ইরানকে একটি নতুন চুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তবে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হলে তিনি সম্ভাব্য কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন। বর্তমানে পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে দুই দেশের অবস্থান একেবারেই বিপরীতমুখী। এতে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আলোচনার গতি যেমন ধীর, তেমনি দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির মতো কৌশলগত জলপথ ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই কঠোর বার্তা শুধু রাজনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল নাকি ভবিষ্যতে বড় কোনো নীতিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত—তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তার সরাসরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া মন্তব্য নতুন করে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়েছে।
রাজধানীসহ দেশের আটটি বিভাগে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১১টা পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বুধবার (২৯ এপ্রিল) জানান, এই সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বর্ষণের পাশাপাশি বজ্রপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। এতে জনজীবনে সাময়িক ভোগান্তি তৈরি হতে পারে। তিনি আরও বলেন, দেশের নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মাছধরার ট্রলার ও নৌযানগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দেশে বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং কালবৈশাখী ঝড়ের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে ৫ মে’র পর থেকে বৃষ্টিপাত ধীরে ধীরে কমে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার, বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে চলার এবং নৌযান চলাচলে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
টানা বৃষ্টি, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিতে দেশের বিস্তীর্ণ কৃষি অঞ্চল এখন ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে। যেখানে কিছুদিন আগেও সোনালি ধানের স্বপ্নে ভরেছিল কৃষকের মাঠ, সেখানে এখন থইথই করছে পানি। বছরের পর বছর ধারদেনা করে করা পরিশ্রম এক নিমিষেই ভেসে যাচ্ছে হাওড়-বাঁওড়ের পানিতে। নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজারসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওড় অঞ্চল থেকে শুরু করে রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় একযোগে দেখা দিয়েছে এই দুর্যোগ। কালবৈশাখী ঝড়ে বহু এলাকায় ঘরবাড়ি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বজ্রপাত ও দেয়াল ধসে বিভিন্ন জেলায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন দেশজুড়ে বৃষ্টিপাত আরও বাড়তে পারে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলায় বন্যার সতর্কতা জারি করেছে। নেত্রকোনার হাওড়াঞ্চলে বৃষ্টির সঙ্গে উজানের ঢল মিলে নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। অনেক জায়গায় পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে, আবার যেসব ধান কাটা হয়েছে সেগুলোও শুকানোর সুযোগ না থাকায় নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, কয়েক দিনের ব্যবধানেই তাদের সারা বছরের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে। একই চিত্র হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জেও। অনেক কৃষক শ্রমিক সংকট ও টানা বৃষ্টির কারণে ধান কাটতে না পেরে অসহায় অবস্থায় পড়েছেন। কোথাও কোথাও শ্রমিক পাওয়া গেলেও অতিরিক্ত খরচ ও আবহাওয়ার কারণে ধান ঘরে তোলা কঠিন হয়ে পড়েছে। হাওড়ের ফসল রক্ষা বাঁধ নিয়েও দেখা দিয়েছে শঙ্কা। বিভিন্ন এলাকায় বাঁধ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমে তা রক্ষার চেষ্টা করছেন। প্রশাসন বলছে, ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাগুলোতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে জিও ব্যাগ ফেলার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। অন্যদিকে নদীভাঙন ও পানির চাপের কারণে নৌরুটে ফেরি চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। একাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঝড়ের প্রভাবে। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান ইতোমধ্যে পানিতে ডুবে গেছে। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এবার কৃষিখাতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যদিও বাস্তবতা ভিন্ন—বৃষ্টি, পানি আর শ্রমিক সংকটে অনেক কৃষকই অসহায় হয়ে পড়েছেন। সব মিলিয়ে দেশের কৃষক সমাজ এখন এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে—যেখানে মাঠে শুধু পানি, আর মানুষের চোখে ভেসে বেড়াচ্ছে হারানো স্বপ্ন।
দেশের শ্রম অধিকার সংক্রান্ত বিধিমালা অনুসারে কর্মচারীরা হজ পালনের জন্য ১৫ দিন পর্যন্ত বেতনসহ ছুটি পাবেন বলে জানিয়েছে সৌদি আরবের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। বুধবার (২৯ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যোগ্য কর্মীরা তাদের নিয়োগকর্তার অধীনে কমপক্ষে দুই বছর একটানা চাকরি সম্পন্ন করে থাকলে, ঈদুল আজহার ছুটিসহ ১০ থেকে ১৫ দিনের ছুটি বেতনসহ নিতে পারবেন। আরও বলা হয়েছে, কোনো কর্মচারীকে তার কর্মকালে কেবল একবারই হজের ছুটি মঞ্জুর করা যেতে পারে এবং তাও কেবল তখনই, যদি তিনি আগে হজ পালন না করে থাকেন। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিচালনগত প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রতি বছর কতজন কর্মীকে ছুটি দেয়া হবে, তা নির্ধারণ করতে পারবেন নিয়োগকর্তারা।
টানা বৃষ্টি, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিতে দেশের বিস্তীর্ণ কৃষি অঞ্চল এখন ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে। যেখানে কিছুদিন আগেও সোনালি ধানের স্বপ্নে ভরেছিল কৃষকের মাঠ, সেখানে এখন থইথই করছে পানি। বছরের পর বছর ধারদেনা করে করা পরিশ্রম এক নিমিষেই ভেসে যাচ্ছে হাওড়-বাঁওড়ের পানিতে। নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজারসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওড় অঞ্চল থেকে শুরু করে রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় একযোগে দেখা দিয়েছে এই দুর্যোগ। কালবৈশাখী ঝড়ে বহু এলাকায় ঘরবাড়ি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বজ্রপাত ও দেয়াল ধসে বিভিন্ন জেলায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন দেশজুড়ে বৃষ্টিপাত আরও বাড়তে পারে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র ইতোমধ্যে কয়েকটি জেলায় বন্যার সতর্কতা জারি করেছে। নেত্রকোনার হাওড়াঞ্চলে বৃষ্টির সঙ্গে উজানের ঢল মিলে নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। অনেক জায়গায় পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে, আবার যেসব ধান কাটা হয়েছে সেগুলোও শুকানোর সুযোগ না থাকায় নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, কয়েক দিনের ব্যবধানেই তাদের সারা বছরের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে। একই চিত্র হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জেও। অনেক কৃষক শ্রমিক সংকট ও টানা বৃষ্টির কারণে ধান কাটতে না পেরে অসহায় অবস্থায় পড়েছেন। কোথাও কোথাও শ্রমিক পাওয়া গেলেও অতিরিক্ত খরচ ও আবহাওয়ার কারণে ধান ঘরে তোলা কঠিন হয়ে পড়েছে। হাওড়ের ফসল রক্ষা বাঁধ নিয়েও দেখা দিয়েছে শঙ্কা। বিভিন্ন এলাকায় বাঁধ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমে তা রক্ষার চেষ্টা করছেন। প্রশাসন বলছে, ঝুঁকিপূর্ণ জায়গাগুলোতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে জিও ব্যাগ ফেলার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। অন্যদিকে নদীভাঙন ও পানির চাপের কারণে নৌরুটে ফেরি চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। একাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঝড়ের প্রভাবে। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান ইতোমধ্যে পানিতে ডুবে গেছে। পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এবার কৃষিখাতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ে দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যদিও বাস্তবতা ভিন্ন—বৃষ্টি, পানি আর শ্রমিক সংকটে অনেক কৃষকই অসহায় হয়ে পড়েছেন। সব মিলিয়ে দেশের কৃষক সমাজ এখন এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে—যেখানে মাঠে শুধু পানি, আর মানুষের চোখে ভেসে বেড়াচ্ছে হারানো স্বপ্ন।
রাজধানীসহ দেশের আটটি বিভাগে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১১টা পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বুধবার (২৯ এপ্রিল) জানান, এই সময়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বর্ষণের পাশাপাশি বজ্রপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। এতে জনজীবনে সাময়িক ভোগান্তি তৈরি হতে পারে। তিনি আরও বলেন, দেশের নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মাছধরার ট্রলার ও নৌযানগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দেশে বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং কালবৈশাখী ঝড়ের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে ৫ মে’র পর থেকে বৃষ্টিপাত ধীরে ধীরে কমে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার, বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা এড়িয়ে চলার এবং নৌযান চলাচলে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন জাপানের কৃষিমন্ত্রী ও দেশটির সরকারের বিশেষ দূত সুজুকি নরিকাজুর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কৃষি, প্রযুক্তি ও অটোমোবাইল খাতে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি জাপানে বাংলাদেশি দক্ষ জনশক্তি রফতানির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তারেক রহমানকে জাপান সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান দেশটির কৃষিমন্ত্রী। তিনি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকরভাবে এগিয়ে নেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ‘পরীক্ষিত বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এ লক্ষ্যে কৃষিখাত, ইলেকট্রনিকস ও অটোমোবাইল শিল্পে জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে তিনি প্রতিনিধিদলকে আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি খাতে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনবল জাপানে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। জাপানি প্রতিনিধিদল এই প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া বাংলাদেশে জাপানি খাদ্যপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাপান। জাপানের সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, মেট্রোরেল এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কাজ দ্রুত ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার বিষয়ে জাপানি পক্ষ গুরুত্বারোপ করে। প্রধানমন্ত্রী এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় জাপানের পক্ষ থেকে ১৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তার ঘোষণা দেয়া হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও দ্রুত প্রত্যাবাসনের ওপর বিশেষ জোর দেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী সুবিধাজনক সময়ে জাপান সফরের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কৃষি ও রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর এবং বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি।
লোডশেডিংয়ে যখন সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছিল, ঠিক সেই সময় দেশজুড়ে শুরু হওয়া ঝড়-বৃষ্টিতে কমেছে বিদ্যুতের চাহিদা। এর ফলে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দেশের কোথাও লোডশেডিং হয়নি বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। বুধবার (২৯ এপ্রিল) এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত জানিয়েছে বিভাগটি। জানা গেছে, চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় সারা দেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে। এর আগে, সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানান, আগামী সপ্তাহ থেকে দেশে বিদ্যুতের পরিস্থিতি উন্নত হবে এবং লোডশেডিং কমে আসবে।
নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ এ শুরু থেকেই নতুন নায়িকা নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল ছিল। এর আগে নাটকটিতে অভিনেত্রী স্পর্শিয়াকে নিয়ে রহস্য ছিল। এবারও পরিচালক রহস্যের প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে নতুন একটি চরিত্র আনতে চলেছেন। একটি লাল পোশাক পরা ছবি প্রকাশ করে নির্মাতা তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কী চরিত্র হবে এটা অনুমান করেন তো।’ এটি লেখার পর মন্তব্যের ঘরে ঝড় বয়ে গেছে। দর্শক ভক্তের নানা রকম মতামতে ভরে গেছে কমেন্ট বক্স। একজন লিখেছেন, ‘রোকেয়া হলে জাস্ট ভাইরাল মুহূর্তে। এই ক্যারেক্টারকে এমন ভাবে দেখানো হইছে, দেখা মাত্রই তার ক্যারেক্টার ও ভাইরাল হবে সাথে ক্যারিয়ার সেট।’ অন্যজন লিখেছেন, ‘কাবিলার রোকেয়া হলে ভালোই হবে’। আর এক জন লিখেছেন, ‘স্টাইল বুঝেতো রোকেয়া হওয়ার কথা।’ এর আগে দর্শকের মুগ্ধ করেছিল 'ব্যাচেলর পয়েন্ট'-এর ঈদ স্পেশাল চ্যাপ্টার! ভক্তদের তুমুল আগ্রহকে প্রাধান্য দিয়ে সিজন ৫-এ ছিল নতুন ৮টি পর্ব (ঈদ স্পেশাল চ্যাপ্টার-১০)। সেখানে ‘আরেফিন’ চরিত্র, যার মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর সিরিজটিতে ফিরেছেন অভিনেতা শামীম হাসান সরকার। কাজল আরেফিন অমি-র অনবদ্য পরিচালনা ও চিত্রনাট্যে নির্মিত এবারের সিজনে প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন মারজুক রাসেল, জিয়াউল হক পলাশ, তৌসিফ মাহবুব, চাষী আলম। ঈদের বিশেষ চমক হিসেবে আছেন শামীম হাসান সরকার। এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয়ে রয়েছেন স্পর্শিয়া, লামিয়া লামসহ সুপরিচিত অভিনয়শিল্পীরা।
রাজশাহীর চারঘাটে স্বামীকে পিটিয়ে আহত করে বেঁধে রেখে তার স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই দম্পতি ট্রেনে ও স্টেশনে পপকর্ন বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দিনগত রাতে উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের সরদহ রেলস্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বুধবার দুপুরে অভিযুক্ত আশরাফুল ইসলামকে (৩৫) আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। অভিযুক্ত আশরাফুল উপজেলার হলিদাগাছী জাগিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক আছেন। পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, ওই দম্পতি প্রতিদিনের মতোই মঙ্গলবার বিকালে ট্রেনে পপকর্ন বিক্রির উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন। দিনভর বিভিন্ন স্টেশনে পপকর্ন বিক্রির পর তারা রাত ১টার দিকে ঢাকাগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেন থেকে সরদহ স্টেশনে নামেন। পরে স্টেশনসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে বসে তারা বিস্কুট খাচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ এক ব্যক্তি লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারী প্রথমে স্বামীকে এলোপাতাড়ি লাঠিপেটা করে গুরুতর আহত করে তার কাছ থাকা পপকর্ন বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে হামলাকারীরা তাকে আহত করে বেঁধে রেখে তার স্ত্রীকে স্টেশনের পাশের জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। ভুক্তভোগী স্বামী বলেন, হামলার সময় তিনি চিৎকার করলেও আশপাশে কেউ এগিয়ে আসেনি। প্রায় ৪৫ মিনিট পর স্থানীয় কয়েকজন তার চিৎকার শুনে এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলের পাশের জঙ্গল থেকে তার স্ত্রীকে উদ্ধার করেন। এ সময় স্থানীয়দের কাছ থেকে তিনি অভিযুক্তের নাম-পরিচয় জানতে পারেন। সরদহ স্টেশন মাস্টার ইকবাল কবির বলেন, গভীর রাতে স্টেশনের পাশে ঘটনাটি ঘটলেও তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি তাদের নজরে আসেনি। পরে খবর পেয়ে পুলিশকে জানানো হয়। জরুরি সেবা নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে। চারঘাট থানার ওসি আব্দুল মালেক বলেন, এ ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
‘আমরা হাওয়ার সঙ্গে নয় রাজাকারের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি’ বলে মন্তব্য করেছেন ভোলা-১ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে হিন্দু মুসলমানে ভাগ করা যাবে না। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যখন বলতে হবে, তখন কার সঙ্গে যুদ্ধ করেছি? হাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করেছে মুক্তিবাহিনী? আমরা রাজাকারের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। পার্থ বলেন, আওয়ামী লীগ ফিরে আসা নিয়ে আমি একটা পরিস্কার কথা বলে দিতে চাই, জুলাইকে অস্বীকার করে বাংলাদেশে কোনো রাজনীতি করার সুযোগ নাই। জুলাইকে জঙ্গি আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশে কোনো রাজনীতি করার সুযোগ নাই এবং এই বিচার না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে কোনো রাজনীতি করার সুযোগ নাই। এদিন দুপুরে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমানের ‘মুক্তিযুদ্ধ’ নিয়ে বক্তব্যে জাতীয় সংসদে সরকারি দল ও বিরোধীদলের মধ্যে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। সংসদে জামায়াত আমির ডা.শফিকুর রহমান ফজলুর রহমানের উদ্দেশ্যে বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান সবকিছুই বলেছেন। কিন্তু নিজের অবদান বলতে গিয়ে আরেকজনের অবদানের উপরে হাতুড়ি পিটানোর অধিকার কাউকে দেওয়া হয়নি। তিনি পার্সোনালি আমাকে হার্ট করেছেন। তিনি বলেন, কোন মুক্তিযোদ্ধা কিংবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ জামাতে ইসলামী করতে পারে না। তাহলে উনাকে জিজ্ঞেস করে করা লাগবে। এরপর জামায়াত আমির বলেন, এটি আমার নাগরিক অধিকার। আমি কোন দল করব? আদর্শ আমি অনুসরণ করব। এর উপর হস্তক্ষেপ করার নূন্যতম কোন অধিকার রাষ্ট্র কিংবা সংবিধানে কাউকে দেয়নি। আমি এটার তীব্র নিন্দা জানাই। আমার আইডেন্টিটি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে এটা গুরুতর অপরাধ করেছেন উনি। আবার আমার আদর্শ সিলেকশনের ব্যাপারে উনি কথা বলেছেন। এটা তিনি বাড়তি অপরাধ করেছেন।
নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ–কে ফ্লোর ক্রসিং ইস্যুতে সতর্ক করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। প্রশ্নোত্তর পর্বে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বক্তব্য দেওয়ার পরই হান্নান মাসউদকে উদ্দেশ করে প্রশ্ন তোলেন স্পিকার। স্পিকার বলেন, “মাননীয় সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ, আপনি কি সরকারি দলে যোগ দিয়েছেন? এই পর্যায়ে ফ্লোর ক্রসিং অনুমোদিত নয়।” তবে ঠিক কী কারণে তাকে এভাবে সতর্ক করা হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা স্থগিত রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে ১১ দলীয় জোটের অন্য ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে রিটার্নি কর্মকর্তা মঈন উদ্দীন খান এই সিদ্ধান্ত দেন। মঈন উদ্দীন খান জানান, মনিরা শারমিন মনোনয়নপত্রের রিটার্নিং দাখিলের নথিতে সরকারি পে-স্কেলে বেতন উত্তোলনের তথ্য দিয়েছেন। কিন্তু বিস্তারিত তথ্য—কবে, কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন, এর কোনো তথ্য দেননি। তাই তাকে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়ার জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। জানা গেছে, মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে অফিসার জেনারেল পদে নিয়োগ পান। নিয়োগের পর তিনি ১১ নভেম্বর প্রথমে ব্যাংকের কুষ্টিয়া শাখায় যোগ দেন। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়াম লীগ সরকারের পতনের পর বদলি হয়ে রাজধানীর কারওয়ান বাজার করপোরেট কার্যালয়ে আসেন। সেখানে কর্মরত থাকা অবস্থায়ই তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় পড়েন। সর্বশেষ গত বছর ডিসেম্বরে কৃষি ব্যাংক থেকে চাকরি ছেড়েছেন মনিরা শারমিন। তার ফেসবুক প্রোফাইলে ১১ নভেম্বর ২০২৩ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত কৃষি ব্যাংকের অফিসার হিসেবে চাকরি করার তথ্য আছে। জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বিরোধীদলীয় জোট আসন পাচ্ছে ১৩টি। এর মধ্যে জামায়াতের আটজন, এনসিপির দুজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে একজন, জাগপা থেকে একজন এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ শিশু জাবির ইবরাহিমের মা রোকেয়া বেগম।
সংসদ সদস্যদের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা নিয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনা হয়েছে। এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এ বিষয়ে অনুরোধ জানালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা স্মরণ করিয়ে দেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে এ আলোচনা হয়। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনওদের গাড়ি থাকলেও সংসদ সদস্যদের অনেক সময় ভাড়ায় গাড়ি ব্যবহার করতে হয়, যা তাদের জন্য অস্বস্তিকর। তাই জনগণের কাছে সহজে পৌঁছাতে গাড়ির ব্যবস্থা করলে সুবিধা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পরই নির্দেশ দিয়েছেন—সংসদ সদস্যরা অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা, বিশেষ করে শুল্কমুক্ত গাড়ি নেবেন না। তবে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আলোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করা যেতে পারে বলেও তিনি জানান। এ সময় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “ছোটদের ‘না’ বলতে নেই”—ইঙ্গিত করে তিনি হাসনাতের প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে দেখার আহ্বান জানান। অন্যদিকে, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের জন্য আধুনিক সুবিধাসহ ‘পরিদর্শন কক্ষ’ তৈরি করা হবে, যেখানে তারা দাপ্তরিক কাজ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন। বিষয়টি নিয়ে সংসদের সরকারি ও বিরোধী—উভয় দলের সদস্যরাই ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানান।
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন বিভাগে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট অফিসার পদে জনবল নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৬ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এক নজরে নিয়োগের বিস্তারিত প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) বিভাগের নাম: অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট অফিসার পদসংখ্যা: ০১ জন শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক বা সমমান অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম ১ বছর চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয় বয়সসীমা: নির্ধারিত নয় বেতন: ৪৫,০০০ টাকা কর্মস্থল: ঢাকা আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে ও আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন। আবেদনের শেষ তারিখ: ১৬ অক্টোবর ২০২৫